নিজস্ব প্রতিবেদক : বেনাপোল ইমিগ্রেশনের সামনে পাসপোর্ট যাত্রীর সঙ্গে প্রতারণা ও নগদ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুইজনকে আটক করেছে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বড় আঁচড়া গ্রামের ইমিগ্রেশন সংলগ্ন চৌধুরী সুপার মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটককৃতরা হলেন- বেনাপোল পোর্ট থানার সাদিপুর (আস্তানাপাড়া) এলাকার মৃত আবদার আলীর ছেলে মো. হাসান (২৬) এবং নামাজগ্রাম (পশ্চিমপাড়া) এলাকার মো. ইবাদত হোসেনের ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম (২৩)।
পুলিশ জানায়, মাগুরা সদর উপজেলার তাঁতীপাড়া এলাকার রিনা রানী দেবনাথ (৫৬) চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ছেলে অংশু দেবনাথকে সঙ্গে নিয়ে বেনাপোলে আসেন। ইমিগ্রেশন এলাকায় পৌঁছালে অভিযুক্তরা বহির্গমন স্লিপ পূরণ ও টাকার সিরিয়াল মিলিয়ে দেওয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে পাসপোর্ট, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নেয়। পরে কৌশলে ৪ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে অবশিষ্ট ৪৬ হাজার টাকা ফেরত দেয়।
ভুক্তভোগী টাকার হিসাব কম দেখে প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় খবর পেয়ে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুইজনকে আটক করে।
পরে এসআই মিলন মোল্লার নেতৃত্বে তল্লাশি চালিয়ে আটক হাসানের কাছ থেকে এক হাজার টাকা এবং শরিফুল ইসলামের কাছ থেকে ১২টি ফাঁকা বহির্গমন কার্ড উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বেনাপোল পোর্ট থানায় ৪০৬/৪২০ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
যশোরে অবৈধভাবে গরুর হাট
বসানোর অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নের সাতমাইল বাজারে অবৈধভাবে গরুর হাট বসানোর অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দুপুর থেকে স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে এ হাট পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
অভিযোগ রয়েছে, সাবেক ইউপি সদস্য মো. বিল্লাল হোসেন ও স্থানীয় কয়েকজন নেতাকর্মী ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে অনুমতি ছাড়াই গরুর হাট বসিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সাতমাইল এলাকায় সাপ্তাহিক গরুর হাট সাধারণত প্রতি বৃহস্পতিবার বসে। চলতি বছরে কোনো ইজারাদার না থাকায় ভূমি অফিস খাস আদায়ের মাধ্যমে হাট পরিচালনা করছে। তবে নির্ধারিত দিনের বাইরে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া শনিবার হাট বসানো হয়েছে।
সাতমাইল ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. হাসান জানান, এ বিষয়ে তাদের কাছ থেকে কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। অবৈধভাবে হাট পরিচালনার বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।
এদিকে অভিযোগ রয়েছে, আগামী ২৮ মে পর্যন্ত হাট চালিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সংশ্লিষ্টদের। তবে বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানা গেছে।