ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল , ২০২১ ● ৩০ চৈত্র ১৪২৭

পৌরসভা নির্বাচন: ঘুরে দাঁড়াচ্ছে যশোরের ছাপাখানার অর্থনীতি

Published : Thursday 25-February-2021 22:29:24 pm
এখন সময়: মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল , ২০২১ ০৮:১৫:২৭ am

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের বিভিন্ন পৌরসভার নির্বাচন চলছে। ২৮ ফেরুয়ারি কেশবপুর পৌরসভার নির্বাচন। চলতি মাসে মণিরামপুর ও বাঘারপাড়া পৌরসভার নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। সামনে যশোর পৌরসভার নির্বাচন। সব মিলিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ছাপাখানার অর্থনীতি। কর্মীদের কাজের গতি বেড়েছে। কিন্তু কাগজের দাম বৃদ্ধি ও ভ্যাট অফিসের তৎপরতা ভাবিয়ে তুলছে ব্যবসায়ীদের।

যশোর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডেও কাউন্সিলর প্রার্থী ওবাইদুল ইসলাম রাকিব জানান, সামনের মাসে ইসি বলেছে পৌরসভার ভোট হবে। সেকারণে পোস্টার ছাপাতে দিয়েছি। তা না হলে ভীড় বাড়লে দেরি হয়ে যাবে।

যশোরের একতা প্রিন্টার্সের মালিক রকিব হোসেন স্বপন জানান, দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে ছাপাখানার কাজ বন্ধ ছিল। কেননা স্কুল-কলেজের কাজের উপর ছাপাখানা টিকে থাকে। এখনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ। পৌরসভার নির্বাচনে কাজের অর্ডার আসা শুরু হলে অসাধু ব্যবসায়ীরা কাগজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। কাগজের গ্রাম অনুযায়ী একশ থেকে ৩ শ টাকা বেড়েছে। এতে ব্যবসায় সুবিধা করা যাচ্ছে না। তার উপর কড়া নাড়ছে কাস্টমের ভ্যাট বিভাগ। এতে চিন্তায় আছি কি করব।

সুলতান প্রেসের মালিক মো. ইসলাম জানান, পৌরসভার নির্বাচনকে ঘিরে পোস্টারের কাজ পাওয়া যাচ্ছে। এতে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানো যাচ্ছে। এক বছর ব্যবসা না থাকায় পূঁজি হারিয়ে গেছে। চাকলাদার প্রিন্টিং প্রেসের ব্যবস্থাপক গোপিনাথ দাস জানান, জেলায় ছোট বড় মিলিয়ে ৫০টি ছাপাখানা রয়েছে। মূলত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ বেশি হয়ে থাকে। তবে এক বছরের বেশি সময় এসব কাজ না থাকায় মালিক পক্ষ ভূর্তুকি দিয়েছে। তবে নির্বাচনে কিছুটা চাঙ্গাভাব এসেছে।

যশোরের সবচেয়ে বড় ছাপাখানা নাভারণ প্রিন্টার্স এন্ড প্যাকেজিং লিমিটেড। এটি আফিল গ্রুপের প্রতিষ্ঠান। গ্রুপের পরিচালক মাহাবুব আলম লাভলু জানান, করোনাকালে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ছাপাখানাগুলো। ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক। আমরা আকিজ গ্রুপসহ বড় প্রতিষ্ঠান ও সংবাদপত্রের কাজ করে থাকি। এখনও সেইভাবে কাজ সচল হয়নি। তবে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় কাজের অর্ডার আসতে শুরু করেছে। এখাত ঘুরে দাঁড়াতে সরকারকে ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখতে হবে কমপক্ষে ২ বছর।

কাস্টম, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট যশোর অফিসের যুগ্ম কমিশনার নাহিদ নওশাদ মুকুল জানান, কাস্টমের দায়িত্ব হলো ভ্যাট আদায় করা। ব্যবসা করলে ভ্যাট দিতে হবে। তবে ব্যবসায়ীদের সুবিধার কথা আমরা বিবেচনা করব।



আরও খবর