ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর , ২০২১ ● ১২ আশ্বিন ১৪২৮

ফকিরহাটে অবসর ভাতা পেতে হয়রানি !

Published : Thursday 15-April-2021 21:21:00 pm
এখন সময়: মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর , ২০২১ ০৪:৪৪:০৬ am

ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় অবসর ভাতা পেতে হয়রানির শিকার হয়ে পথে পথে ঘুরছেন অবসরে যাওয়া বৃদ্ধ ওয়াজেদ আলী। সোনালী ব্যাংক আর উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের চক্করে ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত বৃদ্ধ ওয়াজেদ আলি কান্নায় ভেঙে পড়েন। শুধু তিনি নন, আরও এমন অনেক সিনিয়র সিটিজেন সময় মতো অবসর ভাতা না পেয়ে অনাহার অর্ধাহারে আছে বলে জানান তিনি।

ফকিরহাটের ছোটবাহিরদিয়া এলাকার মৃত আহম্মদ আলি শেখের ছেলে ওয়াজেদ আলি (৬২) জজকোর্টের জারিকারক হিসেবে চাকরি করতেন। সারা জীবন সততার সাথে কাজ করে তিনি ২ বছর হলো অবসরে গিয়েছেন। ইতোপূর্বে তিনি ম্যানুয়াল ও অনলাইন সিস্টেমে মাসের ২ থেকে ৫ তারিখ নিয়মিত অবসর ভাতা পেতেন। কিন্তু গত মার্চ মাসের পেনশনের টাকা তিনিসহ অনেকে মাসের ১৫ তারিখ হয়ে গেলেও এখনো পায়নি। টাকা পেতে বার বার হিসাবরক্ষণ অফিস আর সোনালী ব্যাংক ঘুরেও কোনো লাভ হচ্ছে না। লকডাউনের মধ্যে এ টাকার উপর নির্ভরশীল পরিবারগুলো একদিকে যেমন আর্থিক সংকটে আছে, অন্যদিকে বার বার ব্যাংক ও উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

ভুক্তোভোগী ওয়াজেদ আলি ফকিরহাট উপজেলা প্রেসক্লাবে এসে বলেন, ব্যাংকে গেলে বলে টাকা আসেনি। আবার একাউন্স অফিসে আসলে বলে সার্ভারে তার নাম নেই। এভাবেই বার বার ঘুরছি। এর আগে তো নিয়মিত টাকা পেয়েছি। কিন্তু এখন কেন এমন হলো তার সমাধান কেউ দিচ্ছে না। আমি বৃদ্ধ মানুষ, কোথায় যাবো কি করবো বুঝতে পারছি না।

এ বিষয়ে ফকিরহাট উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা (এলপিআর-এ আছেন) কাজী কামাল বলেন, ইএফটিতে একবার পেনশন পেলে তার নতুন কোন জটিলতা হওয়ার কথা নয়, আর অনলাইনে প্রথমবার পেনশন পেতে হলে যে জেলা অফিস থেকে অবসরে গিয়েছেন সেখানে ইএফটি সিস্টেম খোঁজ নেওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন।

হয়রানি রোধে ও অবসর ভাতা পেতে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের দায়-দায়িত্ব আছে কিনা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, অবশ্যই আছে। হিসাবরক্ষণ অফিস থেকেই প্রথমে তাদের নামের তালিকা সার্ভারে ইমপুট দেয়া হয়। এর পর ঢাকার সার্ভারে সমস্যা হলে আমাদের করার কিছু থাকে না।