Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

মাদ্রাসা ছাত্রীদের ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবক আটক, পরিবারের জিম্মায় মুক্ত

এখন সময়: বুধবার, ২১ জানুয়ারি , ২০২৬, ১২:১৫:০৬ এম

কেশবপুর প্রতিনিধি : কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নে ধর্মপুর আলিম মাদ্রাসা ছাত্রীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে চলা বেপরোয়া ইভটিজিংয়ের ঘটনায় অবশেষে জনতার হাতে আটক হয় এক যুবক। আটক যুবকের নাম সাজিদ হোসেন। সে চিংড়া গ্রামের আব্দুল হালিম মোড়লের ছেলে। অভিযোগ রয়েছে, চিংড়া ধর্মপুর দারুস সুন্নাহ আলিম মাদ্রাসার দুই ছাত্রীকে সাজিদ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে পথেঘাটে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন দুপুরে মাদ্রাসা ছুটির পর কাস্তা গ্রামের নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে মাদ্রাসা মোড় থেকে একটি ভ্যানে ওঠে ওই দুই ছাত্রী। একই ভ্যানে ওঠে অভিযুক্ত সাজিদ হোসেন ও তার এক আত্মীয়। ভ্যানটি কাস্তা নতুন বাজার এলাকায় পৌঁছানোর পর অভিযুক্ত যুবক ছাত্রীদের পিছু নেয়। এতে ছাত্রীরা চরম আতঙ্কে পড়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তারা কাস্তা গহর আলী দাখিল মাদ্রাসার সামনে তাদের সাবেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত সুপার আব্দুর রহমানের কাছে আশ্রয় নেয়। বিষয়টি জানাতে গেলে অভিযুক্ত সাজিদ হোসেন উল্টো উত্তেজিত হয়ে ওঠে এবং সুপারের ওপর চড়াও হয়। সে প্রকাশ্যে গালিগালাজ করতে করতে পালানোর চেষ্টা চালায়। এ সময় মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারী ও স্থানীয় জনতা তাকে ধরে ফেলে। খবর পেয়ে প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রশাসনের সামনে অভিযুক্তের পরিবার তার কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং ভবিষ্যতে এমন ন্যক্কারজনক কর্মকাণ্ড আর করবে না বলে অঙ্গীকার করে। পরে প্রশাসনের সিদ্ধান্তে তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছেন-শুধু ক্ষমা চেয়ে ছাড়া পাওয়াই কি ইভটিজিংয়ের শাস্তি হয় ? তারা অবিলম্বে ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বলেছেন, নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সমাজের শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়বে।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)