নিজস্ব প্রতিবেদক: ভ্রুণ হত্যার অভিযোগে স্ত্রী-শ্বশুর ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। সোমবার যশোর অভয়নগরের বাশুয়াড়ী গ্রামের নিছার উদ্দিনের ছেলে নাইমুল ইসলাম আকুঞ্জি বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার আদেশ দিয়েছে অভয়নগর থানার ওসিকে। আসামিরা হলো, নড়াইল কালিয়ার খড়লিয়া গ্রামের মুস্তাক শিকদার ও তার স্ত্রী ফিরোজা বেগম এবং মেয়ে নুরনাহার। মামলার অভিযোগে জানা গেছে,২০২৫ সালে ৩০ মে নাইমুল আকুঞ্জি পারিবারিক ভাবে নুরনাহারকে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর নুর নাহারকে তার পিতা ও মা ধনী পরিবারে বিয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নাইমুলকে তালাক দেয়ার পরামর্শ দেয়। এরমধ্যে মেডিকেল রিপোর্টে নুর নাহার সন্তান সম্ভবা বলে উল্লেখ করা হয়। ২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর নুর নাহারের পিতা ও মা তার শ্বশুর বাড়ি এসে তাকে বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর নাইমুল তার স্ত্রীর সাথে যোগাযোগ করতে পারেনি। গত ১৫ জানুয়ারি নাইমুলের শ্বশুর ফোন করে জানায় নুর নাহারকে খুলনা শিরমনি লিন্ডা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। নাইমুল স্বজনদের নিয়ে ক্লিনিকে গিয়ে মেঝেতে মৃত অবস্থায় তার সন্তানকে দেখতে পান। এ সময় নাইমুলের শ্বাশুড়ি তাকে জানিয়ে দেন, নুর নাহার তার সংসার আর করবে না। সেহেতু আর যেন যোগাযোগ না করে। ২৫ জানুয়ারি নাইমুল তার স্ত্রীকে শ্বশুর বাড়ি আনতে গেলে নুর নাহার সংসার করবেনা হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। নুর নাহারকে তার সাথে সংসার করতে দেবেনা বলে পরিকল্পিতভাবে গর্ভের সন্তান হত্যা করায় তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন।