নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বারান্দায় মব সৃষ্টি করে আসামি অপহরণ চেষ্টার অভিযোগে মামলার বাদী শ্রমিক নেতা মিন্টু গাজীকে আদালতে সোপর্দ করেছে আইনজীবীরা। অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম বাদী মিন্টু গাজীকে কাঠগড়ায় আটকে রাখার নির্দেশ দেন পুলিশকে। বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনার পর চঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি শ্রমিক নেতা মিন্টু গাজী সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের ইয়াকুব ফকির, সিরাজুল ইসলাম, কাওসার আলী, জাহিদ শেখ, সবুজ হোসেন নিলয়, সাইফুল ইসলাম এবং একই উপজেলার ব্রাহ্মণগাতী গ্রামের আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা করেন।
এ মামলার ধার্য দিনে বৃহস্পতিবার মামলার আসামিরা আদালতে আত্মসমর্পণ করতে আসেন। মামলার বাদী মিন্টু গাজী আসামিদের দেখে তাদের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে মিন্টু গাজীর নেতৃত্বে ৮-১০ জন আসামিদের উপর চড়াও হন। মিন্টু গাজী ও তার লোকজন আসামিদের ফ্যাসিবাদের দোসর উল্লেখ করে মব সৃষ্টির করে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় তাদের চিৎকার চেঁচামেচিতে আদালতে উপস্থিত আইনজীবী ও পুলিশের সহায়তায় ঘটনাটি বিচারককে অবহিত করা হয়। উপস্থিত বিচারক পুলিশকে দিয়ে মামলার বাদী পিন্টু গাজীকে ধরে কাঠগড়ায় আটকে রাখার নির্দেশ দেন। আদালতের কার্যক্রম শেষে দুপুরে মুচলেকা দিয়ে মিন্টু গাজী মুক্তি পেয়েছে।
এ বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী রবিউল ইসলাম (৩) জানিয়েছেন, এই মামলায় ছয়জন আসামি আত্মসমর্পণ করতে বৃহস্পতিবার যশোরে আদালতে হাজির হন। বিষয়টি জানতে পেরে মামলার বাদী মিন্টু গাজী ও তার সহযোগীরা আদালতের বারান্দায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। পরে আমরা বিষয়টি বিচারককে অবহিত করি। বিচারক পুলিশকে দিয়ে মামলার বাদী মিন্টু গাজীকে আটক করে কাঠগড়ায় আটকে রাখার নির্দেশ দিয়ে ছিলেন।