যবিপ্রবি প্রতিনিধি : যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কোষাধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দিয়েছেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান। আজ শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে যোগদানপত্রে স্বাক্ষরের মাধ্যমে তিনি যোগদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। যোগদানের পর যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবির ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান ফুল দিয়ে নতুন কোষাধ্যক্ষ-কে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অনুষদের ডিন, বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মোঃ শাহ আলম সিরাজের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাঁকে নিয়োগের এ তথ্য জানানো হয়। ২৫ জুলাই শনিবার সকাল ১১ টায় যোগদানের পর যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহম্মদ ফারুক হাসান প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামফলিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সেখানে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এরপর ১৯৫২ থেকে ২০২৪ সালের সকল বীর শহীদদের স্মরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। যোগদানের আনুষ্ঠানিকতার পর তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ‘জিয়া ট্রি’র কর্মসূচির আদলে একটি নিম গাছের চারা রোপন করেন। যোগদানের পর যবিপ্রবিকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করে অধ্যাপক ড. মোহম্মদ ফারুক হাসান বলেন, আমি এখানে যোগদানের পর যবিপ্রবি পরিবার যেভাবে আমাকে স্বাগত জানিয়েছে, এতে আমি কৃতজ্ঞ। সরকার আমাকে যে উদ্দেশ্য নিয়ে এখানে পাঠিয়েছে, তা সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আমি নিরলস কাজ করে যাব। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো ভালো কাজের ক্ষেত্রে আমাকে সবসময় আপনারা পাশে পাবেন। অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান ২০০৩ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি অনুষদের অধীনে স্নাতক ও ২০০৫ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এরপরে তিনি ২০০৫ সালে ১৫ মে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগে প্রভাষক হিসেবে প্রথম যোগদান করেন। তিনি ২০১২ সালে জাপানের ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাবলিক পলিসির ওপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে তিনি দেশি-বিদেশি স্বনামধন্য জার্নালে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।