Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার : প্রতিমন্ত্রী অমিত

যশোরে স্বেচ্ছাসেবক দলের গণসমাবেশে নার্গিস বেগম : ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সকল অন্যায় অপর্কমের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে

এখন সময়: রবিবার, ২৬ জুলাই , ২০২৬, ১২:৪৩:৪৩ এম

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম বলেছেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে যথাযথ সংস্কারের মাধ্যমে রাষ্ট্রকে নতুন করে গড়ে তুলবো। তিনি বলেন, যারা সংসদের ভেতরে এবং বাইরে যারা সরকারকে বিরোধীতা করছেন, আপনারা গঠন ূলক রাজনীতিতে আসুন। রাষ্ট্র সংস্কার অবশ্যই হবে। আমাদের কাছে আলাদিনের প্রদীপ নেই, যে ঘষে দিলে রাতারাতি পরিবর্তন হয়ে যাবে। দীর্ঘ ১৭ বছরের জঞ্জালকে সরাতে গেলে সময় লাগবে। আসুন সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে রাষ্ট্রকে নতুন করে গড়ে তুলি। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ও তার দোসরদে শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিতে যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। শহরের চৌরাস্তা মোড়ে অনুষ্ঠিত গণসমাবেশ উত্তাল হয়ে ওঠে। স্বেচ্ছাসেবক দলের ১৬ টি সাংগঠনিক ইউনিটের নেতৃবৃন্দ মিছিল সহকারে যোগ দেন। গণসমাবেশে অধ্যাপক নার্গিস বেগম আরও বরেন, জনগণ ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে যে ভাবে বিতাড়িত করেছে। ঠিক একই ভাবেই এদেশে তার সকল অন্যায় অপর্কমের শাস্তি নিশ্চিত হবে। বর্তমান তারেক রহমানের সরকার হাসিনার মতো ধর তকতা মার পেরেক নয়। সরকার বৈধভাবে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে দেশ চালাচ্ছে। দেশের আইনের শাসন শুরু হয়েছে। কেবল শেখ হাসিনা নয়, তার দোসরদেরও যথাযথ আইনী প্রক্রিয়ায় সকল অন্যায় অপকর্মের বিচার এবং শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। আমাদের অঙ্গীকার ছিল জবাবদিহিমূলক, বৈষম্যহীন, ন্যায়বিচারভিত্তিক, মানবিক রাষ্ট্র গঠন করা। অতি অল্প সময়ের মধ্য প্রধানমন্ত্রী সেই রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করেছেন। তিনি বলেন, আজকে যারা বিরোধী দল আছেন তারা বিএনপিকে হুমকি দিচ্ছেন। বিএনপিকে হুমকি দিয়ে লাভ নেই। বিএনপি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব এবং মানুষের বাক স্বাধীনতা এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য। আমরা সকল সংকট মোকাবেলা করতে জানি। কিন্তু যারা হুমকি দিচ্ছেন তাদের সাথে গোপনে প্রকাশ্যে ফ্যাসিস্টের আতাত ছিল। তারা কারও না কারও কাঁধে ভর করে টিকে ছিলো। স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব নিষ্কণ্টক রাখা এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সকলে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান অধ্যাপক নার্গিস বেগম । গণসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম। তিনি বলেন, অন্তবর্তী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে বিএনপি সরকারের মাত্র চার মাসে ১১৭টি অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি শনিবার সন্ধ্যায় যশোর শহরের চৌরাস্তা মোড়ে গণহত্যাকারী শেখ হাসিনাসহ তার দোসরদের বিচারের দাবিতে গণসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যকালে এই এই কথা বলেন। যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আয়োজিত এই সমাবেশে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরোও বলেন, অন্তবর্তী সরকার ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করেছিলেন। বিএনপি চার মাসের মধ্যে ১১৭ টি অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করেছে। যে কয়েকটি অধ্যাদেশ আইনে পরিণত হয়নি; বিএনপি একটি বারের জন্য বলেনি, অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত করবে না। বিএনপি মনে করছে বাকীগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানবাধিকার, গুম হত্যার শিকার অন্যদলগুলোর চেয়ে বেশি শিকার বিএনপির নেতাকর্মীরা। ফলে এমন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ আরোও যাচাই-বাছাই শেষে বাকীগুলোকেও আইনে পরিণত করবে এই সরকার। জামায়াত ইসলামীকে ইঙ্গিত করে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন যাদের সাথে রাজনীতি করেছি, তারা কেমন অচেনা হয়ে গেছে। সংসদে এক ভাষায় কথা বলেন, সংসদের বাইরে কথা বলেন আরেক ভাষায়। আল্লাহপাক ধর্য্যশীলদের পছন্দ করে। কিন্তু তাদের ধর্য্য সইছে না। তারা চাইছে পাঁচ মাসেই বিএনপি সরকার পরিবর্তন করতে। এটি কখনোই সম্ভব না। কেননা দেশের জনগণ অনেক আকাক্সক্ষা; অনেক স্বপ্ন নিয়ে তারেক রহমানকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। তাই বলবো প্রতিমূর্হতে ধর্মের গল্প না দিয়ে, ইসলামকে যদি চরিত্র ধারন করেন, হৃদয়ে ধারণ করেন, তাহলে বলবো, ধৈর্য্য ধারণ করেন।’ জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক মোস্তফা আমীর ফয়সালের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এসএম জিলানী এমপি, জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাজেদুর রহমান সাগর প্রমুখ। এর আগে যশোরের আট উপজেলা থেকে স্বেচ্ছাসেবকদলের নেতাকর্মীরা মিছিলসহকারে যোগদেন সমাবেশ স্থলে। মিছিল স্লোগানে ঢল নামে নেতাকর্মীদের। সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী এমপি। গণসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা আমির ফয়সাল। সমাবেশ পরিচালনা করেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাজিদুর রহমান। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম,কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি সরদার নুরুজ্জামান, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনসারুল হক রানা, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাপ্পি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলী হায়দার রানা, যশোর নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা তরফদার রয়েল, চৌগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান, কেশবপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শামসুল আলম বুলবুল, মনিরামপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেন, শার্শা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রাকিবুল হাসান রিপন, অভয়নগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোল্লা হাবিবুর রহমান, বাঘারপাড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেন প্রমুখ।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)