মিরাজুল কবীর টিটো : যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন (নিবন্ধন) কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ১ মার্চের মধ্যে বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির যাবতীয় তথ্য বোর্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অসাবধানতাবশত বা ভুলবশত কোনো শিক্ষার্থী নিবন্ধন থেকে বাদ পড়লে তার পূর্ণ দায় প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে।
যশোর বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিলম্ব ফি ছাড়া নিবন্ধনের তথ্য জমা দেওয়ার শেষ তারিখ আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর। ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে নির্ধারিত বিলম্ব ফি প্রদান করে তথ্য জমা দিতে হবে।
ফি সংক্রান্ত বিস্তারিত: নিবন্ধনের জন্য সর্বমোট ৫৮৭ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে, যা দুটি ভাগে বিভক্ত: শিক্ষার্থীপ্রতি ফি (২১৬ টাকা): এর মধ্যে নিবন্ধন ফি ১০০ টাকা, ক্রীড়া ফি ৫০ টাকা, বয়েজ স্কাউট ফি ২৫ টাকা, গার্লস গাইড ফি ১৫ টাকা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফি ৫ টাকা, রেড ক্রিসেন্ট ফি ১৬ টাকা এবং বিএনসিসি ফি ৫ টাকা। প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফি (৩৭১ টাকা): পাঠ্যসূচি ও মানবণ্টন ফি ৫১ টাকা, বার্ষিক ক্রীড়া অধিভুক্তি ফি ৩০০ টাকা এবং বার্ষিক বয়েজ স্কাউট ও গার্লস গাইড অধিভুক্তি ফি ২০ টাকা। এ অর্থ সোনালী সেবার মাধ্যমে শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় শাখায় জমা দিতে হবে।
নিবন্ধন কমিটির গঠন ও তথ্য যাচাই: শিক্ষার্থীদের তথ্যাদি নির্ভুলভাবে আপলোড নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়ের ৩ জন শিক্ষকের সমন্বয়ে একটি ‘নিবন্ধন কমিটি’ গঠন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কমিটি আপলোড করা শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রিন্ট করে যাচাই-বাছাই করবে এবং সকল সদস্যের যৌথ স্বাক্ষর ও প্রধান শিক্ষকের অনুমোদনক্রমে তা প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করবে। তথ্যে কোনো প্রকার ভুল পরিলক্ষিত হলে প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং কমিটির সদস্যগণ যৌথভাবে দায়ী থাকবেন।
বিভাগ ও বিষয় নির্বাচন: নিবন্ধনের দায়িত্বে নিয়োজিত শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার সুবিধা ও বিষয়াবলি সম্পর্কে ধারণা দেবেন। শিক্ষার্থীরা অভিভাবকদের সাথে আলোচনা করে বিভাগ নিশ্চিত করবে এবং লিখিত আবেদনপত্রের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষককে অবহিত করবে। সেই আবেদনপত্রের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত শিক্ষক রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন।