৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে দৃষ্টিনন্দন হচ্ছে ভৈরব

এখন সময়: শনিবার, ২৬ নভেম্বর , ২০২২ ১৫:৩৭:৩৭ pm

মিরাজুল কবীর টিটো: ভৈরব নদের যশোর শহরের দড়াটানা ব্রিজের পশ্চিম পাশে ও নীলগঞ্জ ব্রিজ থেকে শশ্মান পর্যন্ত দৃষ্টিনন্দন করা হচ্ছে। এরমধ্যে দড়াটানা ব্রিজ থেকে ১ কিলোমিটার ও নীলগঞ্জ থেকে ৩শ’ মিটার জায়গায় সৌন্দর্যবর্ধন করা হবে। সেখানে নির্মাণ করা হবে মানুষের হাঁটার জন্য ওয়াকওয়ে। ইতিমধ্যে ভৈরবের নীলগঞ্জ ব্রিজ থেকে ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে ভৈরবের শহরাংশে কাজ শুরু হবে বলে জানান যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সাইদুর রহমান। এ কাজে ব্যয় হবে ৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা। ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দড়াটানার আশপাশ টিন দিয়ে ঘিরে দেয়া হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, ভৈরব নদের কাজ শেষ করা হয় ২০২১ সালের  জুন মাসে বর্ষার কারণে ভৈরবের উপশহর বাবলাতলা ব্রিজের অংশে ও ডাকাতিয়ার কিছু অংশ খনন কাজ শেষ হয়নি। ওই বছরের ডিসেম্বরে ভৈরব ধারের সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করার জন্য ঠিকাদার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে ভৈরবে শহরাংশের সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু করা হবে। সে লক্ষে মাপামাপির কাজ শেষ করা হয়েছে। সুষ্ঠুভাবে কাজ শেষ করার লক্ষে ইতোমধ্যে ভৈরবের রাস্তার ধারে টিন দিয়ে ঘেরা হয়েছে। ২০২৩ সালের জুন মাসে কাজ শেষ করা হবে।

ভৈরব নদের নীলগঞ্জ ব্রিজের অংশ থেকে শশ্মান পর্যন্ত ৩০০ মিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজ চলছে। এ অংশে কাজ শুরু করা হয় চলতি বছরের মার্চ মাসে। আগামী ডিসেম্বর মাসে একাজ শেষ হবে। কাজে ব্যয় হবে ৮০ লাখ টাকা। এখন শুধু ভৈরবে শহরাংশে ড্রেসিংয়ের কাজ চলছে। বর্ষা শেষ হলে উপশহর বাবলাতলা ব্রিজের অংশে ও ডাকাতিয়ায় বাকি থাকা খনন কাজ শেষ করা হবে বলে জানান।

এ ব্যাপারে যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সাইদুর রহমান বলেন, ভৈরবে অংশে শুধু ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে না, সেখানে মানুষের বসার ব্যবস্থা করা হবে। সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য লাগানো হবে ফুল গাছসহ বিভিন্ন বৃক্ষ।