জাকির হোসেন, কুয়াদা : যশোর সদরের রামনগর ইউপি’র সাবেক সদস্যরা ৯ মাস ২০ দিন সম্মানি ভাতা বঞ্চিত রয়েছে। কিন্তু দেখার কেউ নেই।
এ বিষয়ে সাবেক ১০ জন সদস্য জেলা প্রশাসক দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেন। জেলা প্রাশাসকের পক্ষ হতে বিষয়টি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নিতে বলা হলেও দেড় মাসেও সুফল মেলেনি।
সুত্রমতে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-২০১৬ইং অনুষ্ঠিতর পর ৯ জন সাধারণ সদস্য ও ৩ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন। সে সময়ে তারা দায়িত্ব গ্রহণের পর সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
কিন্তু দুঃখের বিষয় নানা জটিলতায় গত এপ্রিল-২০২১ হতে জানুয়ারি-২০২২ এর ২০ তারিখ পর্যন্ত (৯ মাস ২০ দিন) মাসিক ৪ হাজার ৪ শত টাকা হারে জনপ্রতি ৪২ হাজার ৫৩৩ টাকা সর্বমোট ৫লাখ ১০ হাজার ৩৯৬ টাকা পরিষদ দপ্তরের প্রদত্ত সম্মানি ভাতা প্রদানে ব্যর্থ হন।
উল্লেখ্য সাবেক সদস্যরা দায়িত্ব পাবার পর সাবেক চেয়ারম্যান নাজনীন নাহার পূর্বের সদস্যদের ৬ মাসের বকেয়া ভাতা পরিশোধ করেন। কিন্তু পরবর্তী চেয়ারম্যান মাহমুদ হাসান লাইফ এবং বর্তমান ভারপ্রপ্ত রামপ্রাসাদ রায়কে কয়েকদফা বকেয়া ভাতার বিষয়ে জানালে তারা ভাতা পরিশোধের আশ্বাস দিলেও অদ্যাবধি সুফল মেলেনি।
বরং সাবেক সদস্যেদের ভাতা পরিশোধের বিষয়ে বর্তমান কয়েকজন সদস্য বাধা সৃষ্টি করছেন। মূলত : ইউপি সচিব মিজানুর রহমান’র অবহেলা ও উদাসিনতার কারণে পরিষদ দপ্তরের সম্মানি পেতে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে ইউপি সচিব (প্রশাসক) মিজানুর রহমান ও প্যানেল চেয়ারম্যান রামপ্রসাদ রায় ২ মাস অন্তর বর্তমান সদস্যদের এবং ২ মাসের ১ মাসে সাবেক সদস্যদের বকেয়া ভাতা পরিশোধ করবে মর্মে জানিয়েছেন।