নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম বলেছেন- ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতন ঘটানোর পর এখন গণতন্ত্রকে স্থায়ী রূপ দেওয়ার সময় এসেছে। যে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে বেগম খালেদা জিয়া লড়াইয়ের ময়দানে জীবন পার করেছেন, সামনে সেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াই। যেকোনো মূল্যে এই লড়াইয়ে জিততে হবে। অন্যথায় দেশ এমন অন্ধকারের নিমজ্জিত হবে, যেখান থেকে দেশকে আলোর পথে নিয়ে আসা অসম্ভব। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধীচক্র আবার মাথাচাড়া দেওয়ার সুযোগ পাবে, যারা আঁতুড়ঘরেই এই দেশকে বিনষ্ট করতে চেয়েছিলো। তাই সকলকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। সকল বিভেদ বিভাজন ভুলে নিজেদের ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করতে হবে। জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি এহসানুল হক মুন্নার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলপূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। সাবেক জেলা যুবদল নেতৃবৃন্দের আয়োজনে শুক্রবার জেলা বিএনপি কার্যালয়ে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অধ্যাপক নার্গিস বেগম আরও বলেন, অত্যন্ত কঠিন সময়ে এহসানুল হক মুন্নার দলে আগমন ঘটে। যখন সামরিক শাসনে দেশ বিধ্বস্ত তখন মুন্না জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে নেমে আসেন। স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে অনেক সাহসিকতার পরিচয় দেন। সেই সময় সারাদেশে যারা যুবদল-ছাত্রদলের রাজনীতি করতো, তারা সকলেই জীবনের মায়া ত্যাগ করে রাজনীতি করতো। এহসানুল হক মুন্নার তাদের মধ্যে অন্যতম। গণতন্ত্রের জন্য রাজপথে হৃদয় দিয়ে শেখ হাসিনার তপ্ত বুলেট ধারণ করেছেন। অসুস্থ শরীর নিয়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ীমী লীগের নির্যাতন থেকেও রেহাই পাননি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে মিথ্যা মামলায় কারাবরণ করতে হয়েছে। আমৃত্যু দলের নীতি-আদর্শ, দর্শন লালন করেছেন। মুন্না সকলের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম ও মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, সাবেক পৌরমেয়র মারুফুল ইসলাম, আব্দুস সালাম আজাদ, অ্যাড. হাজী আনিছুর রহমান মুকুল, রফিকুল ইসলাম চৌধুরী মুল্লুক চাঁদ, বীরমুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌসী বেগম, এম তমাল আহমেদ, শাহাদৎ উল্লাহ লাল্টু, শামীম হোসেন বাদল, নূর ইসলাম বুল্লা, হাসিব চৌধুরী, আশরাফুল আলম সেলিম প্রমুখ।