নিজস্ব প্রতিবেদক : ভ্রুণ হত্যার অভিযোগে স্বামী-শ্বশুর-শাশুড়িসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার যশোর সদরের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মান্নান খানের মেয়ে শাম্মী আক্তার মিম বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম অভিযোগের তদন্ত করে পিবিআইকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন।
আসামিরা হলো, বাঘারপাড়ার আগড়া গ্রামের আজগর আলী ও তার স্ত্রী আছিয়া বেগম, ছেলে সাজ্জাদ হোসেন, মেয়ে রিতু, নাজনীন, রাহুল হোসেনের স্ত্রী মিতু এবং আজগর আলীর জামাই আজিম উদ্দিন।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৭ এপ্রিল আসামি সাজ্জাদ হোসেন পরিবারিকভাবে শাম্মী আক্তার মীমকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর যৌতুকের দাবিতে মীমকে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন। তাদের শত নির্যাতন সহ্য করে মীম তার স্বামীর সংসার করে আসছিলেন। এরমধ্যে মীম অন্তঃসত্ত্বা হয়। এতে চরমভাবে ক্ষিপ্ত হয় শ্বশুর বাড়ির লোকজন। গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য মীমকে নানা ভাবে চাপ দিতে থাকে তারা। মীম অস্বীকার করায় ৭ জুলাই সন্ধ্যায় আসামিরা দুধের সাথে সন্তান নষ্টের ওষুধ খাইয়ে দেয়। ওই রাতে মীম শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। ডাক্তারের কাছে যেতে চাইলে আসামিরা মীমকে জোর করে বাড়িতে আটকে রাখে। পরদিন তিনি ডাক্তারের কাছে গেলে আল্টাসনো করে দেখেন গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে গেছে। পরিকল্পিতভাবে গর্ভের সন্তান হত্যা করায় তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন।