Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

নেহালপুরে ঘের পাড়ে কিশোরের রক্তাক্ত মরদেহ ও এনজিও কর্মীর আত্মহত্যা

এখন সময়: বুধবার, ৪ মার্চ , ২০২৬, ০১:২১:০৪ পিএম

উৎপল বিশ্বাস, নেহালপুর : মণিরামপুরের নেহালপুর এলাকায় দুইদিনে দুই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নেহালপুর ইউনিয়নে বালিধা গ্রামে এক কিশোর খুন ও মনোহরপুর ইউনিয়নে এক এনজিও’র নারী কর্মী আত্মহত্যা করেছে।
রোববার মধ্যরাতে উপজেলার বালিধা গ্রামের বৈরাগী মোড়ের পাশে আরিফ হোসেন (১৭) নামে এক কিশোরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে লাশ মৎস্য ঘেরে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা। দুর্বৃত্তরা কিশোরের মাথায় উপর্যুপরি কুপিয়ে ও ডান হাতের কব্জি কেটে শ্বাসরোধে হত্যা করে আনোয়ার ফকিরের ঘেরে ফেলে যায়। নিহত আরিফ হোসেন বালিধা গ্রামের গরু ব্যবসায়ী আতিয়ার রহমানের ছেলে। খবর পেয়ে সোমবার সকালে মণিরামপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। কি কারণে কারা তাকে হত্যা করেছে তা নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। তবে স্থানীয়রা বলছেন, এলাকার উঠতি বয়সী নেশাগ্রস্ত ও অনলাইন জুয়ার সাথে যুক্ত কিশোর ও যুবকদের সাথে আরিফের উঠাবসা ছিল। সেই ঘটনার দ্বন্দ্বে আরিফ খুন হতে পারে। ঘটনাস্থলে ঘেরের পাড়ে রক্তের পাশে একটি দিয়াশলাই ও নগদ কিছু টাকা পাওয়া গেছে।
এদিকে অপর একটি সূত্র বলছে, কয়েকদিন আগে আরিফ দামি একটি মোবাইল ফোন কিনেছিল। দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে মোবাইলটি ছিনিয়ে নিয়েছে। মোবাইল ছিনিয়ে নিতে ব্যর্থ হয়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। নিহত কিশোরের পিতা আতিয়ার রহমান পুলিশকে জানিয়েছেন, রোববার দিবাগত রাত ১০ টার দিকে বাড়িতে তার সাথে ছেলের দেখা হয়েছে। এরপর সকালে মাঠে মাছ ধরতে আসা লোকজন ঘেরের পানিতে লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্পে ও নিহতের বাড়িতে খবর দিয়েছেন। নেহালপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করেন। তিনি জানান, কি কারণে কারা আরিফকে হত্যা করেছে তা উপস্থিতভাবে জানা যায়নি। লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে, ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
অপর একটি ঘটনায় শনিবার মধ্যরাতে জেসমিন নাহারের ১২ বছর বয়সী ছেলে ঘরের সামনে আম গাছে মায়ের লাশ ঝুলতে দেখতে পায়। দুই সন্তানের জননী জেসমিন নাহার কপালিয়া গ্রামের মিলন হোসেনের স্ত্রী। তিনি আদ-দ্বীন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের নেহালপুর শাখায় ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের মাঠ কর্মী ছিলেন। ৮-৯ লাখ টাকা ঋণ থাকায় পাওনাদারদের চাপে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মণিরামপুর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) রফিক বলেন- জেসমিন নাহারের স্বামীর স্থানীয় বাজারে চা দোকান রয়েছে। জেসমিন নাহার একটি এনজিওতে ঋণ কার্যক্রমের সাথে যুক্ত ছিলেন। আদ-দ্বীন ওয়েলফেয়ার সেন্টার নেহালপুর শাখার ব্যবস্থাপক পলাশ পারভেজ বলেন- জেসমিন নাহার আমাদের ক্ষুদ্রঋণ শাখায় নিজ এলাকায় কাজ করতেন। রোববার সকালে এক কর্মীর মাধ্যমে তার আত্মহত্যার খবর পেয়েছি। মাসিক হিসাব ছাড়া অফিসে জেসমিনের তেমন কোন দেনাপাওনা নেই। কেন তিনি আত্মহত্যা করেছেন তা বুঝতে পারছি না।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)