সিরাজুল ইসলাম, কেশবপুর : কেশবপুরের প্রতারক উপজেলার গোপসেনা গ্রামের আলিম মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ এলাকায় ভুয়া সিআইডি অফিসার পরিচয় দানকালে তাকে আটক করেছে স্থানীয় জনগণ।
সুত্রে জানা যায়, ৩ মার্চ রাত আনুমানিক ২টার টার দিকে রাজগঞ্জ এলাকার খালিয়া মোড় থেকে আঃ আলিম নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করে জনতা। পরে তাকে রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ কামাল হোসেনের কাছে হস্তান্তর করে । তার বাড়ি কেশবপুর উপজেলার সাঁগরদাঁড়ি ইউনিয়নের গোপসেনা গ্রামে। তার পিতা মৃত মোহাম্মদ আলী মোড়ল।
দীর্ঘদিন ধরে সে মণিরামপুর খালিয়া গ্রামের আঃ গনির বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতো। এলাকাবাসীর কাছে কখনো দুদক কর্মকর্তা, কখনো সিআইডি কর্মকর্তা, কখনো এন এস আই, কখনো ডিজিআই এবং,আবার কখনো প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিত।
তার একটি বড় ধরনের গ্যাং আছে সে বিভিন্ন সময় নিজ এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় মানুষকে মামলা হামলার ভয়ে দেখিয়ে লুটে নিত বড় অংকের টাকা। জনতার হাতে আটকের সময় তার কাছে একটি ওয়াকিটকি সদৃশ বস্তু দেখা গেছে যা দেখিয়ে সে সহজেই সাধারণ মানুষকে বিশ্বাস করাতে পারতো যে তিনি প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তবে আটকের পর জানা যায়, সেটি ছিল সম্পূর্ণ ভুয়া। তার কাছে একটি ভাড়াকৃত প্রাইভেট কারও দেখা যায়। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে এলাকায় নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে বলে জানান মনোহরপুর গ্রামের ইকরামুল হোসেন ও খালিয়া গ্রামের আমিনুর রহমান। রাজগঞ্জ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ কামাল হোসেন জানান, “স্থানীয় জনগণ তাকে আটক করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। সে নিজেকে সিআইডি অফিসার পরিচয় দিতো, কিন্তু সে কোনো প্রশাসনের লোক নয়। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তুতি চলছে।