ক্রীড়া প্রতিবেদক : বাংলাদেশ ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশন যশোর জেলা শাখার ত্রিবার্ষিক নির্বাচন (২০২৬-২০২৯) অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ মার্চ। ঘোষিত তফসিল অনুযারি বৃহস্পতিবার ছিলো মনোনয়নপত্র জমার দিন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আনিসুজ্জামান পিন্টু জানান, ১৬ পদে ২৬ মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। এর আগে, ১৬ পদে ৩২ মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছিলো। খায়েরুজ্জামান বাবুর নেতৃত্বাধীন প্যানেল ১৬ টি পদের সবকটিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। অপরদিকে,ফারুক হোসেন লেন্টুর নেতৃত্বাধীন প্যানেল ১৬ টি পদের বিপরীতে ১০ টি পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদ সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী দেয়নি এ প্যানেল। খায়েরুজ্জামান বাবুর নেতৃত্বাধীন প্যানেল ১৬ টি পদে-সভাপতি খায়েরুজ্জামান বাবু, সহসভাপতি ২ টি পদে মনিরুল হুদা খান মনি ও সাজ্জাদুল আলম বিপুল, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক গোলাম তসলিম শিমুল, কোষাধ্যক্ষ মসলেহ উদ্দীন স্বপন, দপ্তর সম্পাদক বদরুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক জামির হোসেন লাবু জোয়াদ্দার এবং নির্বাহী সদস্য পদে জাকির হোসেন তুহিন, শামসুদ্দিন শাহজী নন্টু, রাজু পারভেজ, আবুল বাশার মুকুল,শফিকুল ইসলাম কাজল, বিধান কুমার দত্ত, মাহমুদ রহমান মান্না ও ফারহান কাদির জনি। ফারুক হোসেন লেন্টুর নেতৃত্বাধীন প্যানেল ১৬ টি পদে-সভাপতি ফারুক হোসেন লেন্টু, সহসভাপতি আলমগীর সিদ্দিকী, যুগ্ম সম্পাদক খন্দকার জাকির হোসেন র্যাবিন, দপ্তর সম্পাদক শাহনেওয়াজ রুশো, কোষাধ্যক্ষ জহিরউদ্দিন সরদার কাজল, সাংগঠনিক সম্পাদক আশিক উর রহমান মল্লিক এবং নির্বাহী সদস্য-কামরুজ্জামান হীরা, কামরুজ্জামন সাজু,তকিউর রহমান মল্লিক ও কাজী শহীদ আহম্মেদ।
এদিকে- মনোনয়নপত্র বাছাই ৮ মার্চ, বাছাইকৃত মনোনয়নপত্রের উপর আপত্তি ও নিষ্পত্তি ৯ মার্চ, বাছাইকৃত মনোনয়ন প্রার্থীদের নাম প্রকাশ ১০ মার্চ, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ১২ মার্চ চুড়ান্ত প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ ১৬ মার্চ এবং ভোট গ্রহন ২৩ মার্চ। মোট ভোটার ৪৭ জন। শামস্-ইল-হুদা স্টেডিয়ামের আমেনা খাতুন ক্রিকেট গ্যালারিতে দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। তফসিলে বর্ণিত সকল কার্যক্রম বাংলাদেশ ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশন যশোর জেলা শাখার কার্যালয়ে বিকেল ৩ টা থকে ৫ টা পর্যন্ত পরিচালিত হবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার আনিসুজ্জামান পিন্টু জানান, ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ এনে আদালতের সরণাপন্ন হয়েছেন খন্দকার মুস্তাক আহমেদ। আদালত ৩ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য বলেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ প্রতিবেদককে বলেছেন, রোববার আইনজীবীর মাধ্যমে নোটিশের জবাব দেয়া হবে। তিনি আরও বলেন, নিয়ম মেনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা করা হয়। এমনকি, স্থানীয় পত্রিকায় নির্বাচনী তফসিলের বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। ঘোষিত তফসিলে খসড়া ভোটার তালিকার ওপর আপত্তির নির্ধারিত দিন দেয়া ছিলো। এমনকি আপত্তি ও মীমাংসার দিনও ধার্য করা ছিলো। সে সময় কোনো আপত্তি বা অভিযোগ আসেনি আমার কাছে। এমনকি আদালত নির্বাচন স্থগিত করতে বলেননি। যে কারণে আমি নির্বাচনি কার্যক্রম তফসিল আনুযায়ী পরিচালনা করছি।