নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের চৌগাছা ডাকবাংলো পাড়ার গৃহবধূ রানী খাতুনকে আত্মহত্যা প্ররোচণার মামলায় সিঙ্গাপুর প্রবাসী স্বামী লিজন রেজাকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে এই চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জিএম ইমরান হোসেন রাজু। অভিযুক্ত লিজন রেজা চৌগাছা ডাকবাংলো পাড়ায় সানাউল্লাহর বাড়ির দ্বিতীয় তলার ভাড়াটিয়া ও মেহেরপুর সদর উপজেলার টুঙ্গি গ্রামের সদর আলীর ছেলে। মামলার অভিযোগে জানা গেছে, মৃত রানী খাতুন চৌগাছা উপজেলার খোর্দ্দসিংহঝুলী গ্রামের মোস্তফা হোসেনের মেয়ে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। রানীর প্রথম পক্ষে ৪ বছর বয়সী একটি সন্তান ছিল। বিয়ের পর লিজন রেজা চৌগাছা ডাকবাংলো পাড়ায় ভাড়া থাকত। লিজন তার শ্যালক নয়ন মন্ডলকে বিদেশে পাঠানোর নামে ৭ লাখ টাকা নিয়েছিল। ৫ মাস পার হলেও নয়নকে বিদেশে পাঠাতে ব্যর্থ হয় লিজন রেজা। এ নিয়ে তাদের সংসারে অশান্তি চলছিল। গত ২১ মে রাতে রানীর সাথে তার স্বামীর ঝগড়া হয়। এ সংবাদ জানতে পেরে রানীর মা তাদের বাসায় আসেন এবং নাতনিকে নিয়ে বাড়ি ফিরে যান। পরদিন সকালে লিজন রেজার মাধ্যমে মেয়ের অসুস্থতার সংবাদ পেয়ে তাদের বাসায় এসে রানীকে মৃত অবস্থায় পান। এ ঘটনায় মৃত রানীর পিতা মোস্তফা বাদী হয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে লিজন রেজাকে আসামি করে চৌগাছা থানায় মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত শেষে আটক আসামির দেয়া তথ্য ও সাক্ষীদের বক্তব্যে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় আসামি লিজন রেজাকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। চার্জশিটে অভিযুক্ত লিজন রেজাকে আটক দেখানো হয়েছে।