নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর শহরের খড়কী এলাকা থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন ফিরোজা খাতুন নিখোঁজ হয়েছেন। গত ৭ জুলাই ভোরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান না পাওয়ায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পরিবারের সদস্যদের। নিখোঁজ ফিরোজা খাতুন যশোর শহরের খড়কী এলাকার বাসিন্দা স্বপ্না বেগমের মেয়ে ও আব্দুর রহমানের নাতনী। নিখোঁজ স্বপ্না বেগমের মা গত ৮ জুলাই যশোর কোতয়ালী থানায় একটি জিডি করেছেন। জিডি নম্বর ৬৭৭। জিডিতে স্বপ্না বেগম উল্লেখ করেন, তার মেয়ে ফিরোজা খাতুনের মানসিক সমস্যা রয়েছে। তিনি অনেকটা ভারসাম্যহীন অবস্থায় চলাফেরা করেন। গত ৭ জুলাই ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে পরিবারের কাউকে কিছু না জানিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি। মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর স্বজনরা আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি, আশপাশের এলাকা এবং সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। কিন্তু কোথাও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ ফিরোজা খাতুনের গায়ের রং শ্যামলা, মুখমণ্ডল লম্বাটে, শারীরিক গঠন হালকা-পাতলা। উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট। তার মাথার চুল ছোট, হালকা ও কালো। তিনি যশোর শহরের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেন। নিখোঁজ হওয়ার সময় তার পরনে ছিল সবুজ রঙের সালোয়ার-কামিজ এবং মাথায় কালো ওড়না। দীর্ঘদিন ধরে মেয়ের কোনো খোঁজ না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ বিরাজ করছে। বিশেষ করে ফিরোজার মানসিক সমস্যার কারণে তিনি কোথায় আছেন, কী অবস্থায় আছেন এ নিয়ে উৎকণ্ঠায় রয়েছেন তার মা। ফিরোজা খাতুনের সন্ধান পেলে বা তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে নিকটস্থ থানায় অথবা তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন স্বজনরা।