Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির সালিশ

অভিযোগকারীকে আটকে রেখে আইনজীবীদের চলে যেতে বাধ্য করার অভিযোগ

এখন সময়: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর , ২০২৬, ০২:৫০:৪৭ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক: অভয়নগর উপজেলার প্রেমবাগে জমি সংক্রান্ত বিরোধের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আয়োজিত সালিশ বৈঠকে অভিযোগকারী জোরপূর্বক আটকে রাখা এবং মানবাধিকার সংস্থার আইনজীবীদের চলে যেতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। পরে অভয়নগর থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযোগকারী যশোর শহরের বারান্দীপাড়ার সালাউদ্দিনকে উদ্ধার করা হয় । সালাউদ্দিনের অভিযোগে জানা গেছে, অভয়নগর থানাধীন প্রেমবাগ মৌজার হাল দাগ নং ২৫১৭, ২৫৩ ও ২৫২১ এবং আরাজি বাহিরঘাট মৌজার এই চার দাগ থেকে মোট ৪২ শতক জমি তার পিতা ও তিন চাচা ক্রয় করেন। জমিগুলোর দলিল নম্বর ১১৬৬, ১১৭১, ২৬০৬ ও ১৮১৫। জমির বিক্রেতা ছিলেন মরহুম সলেমানের স্ত্রী ফুলজান বিবি। পরবর্তীতে সলেমান জীবিত থাকা অবস্থায় তার পিতার কাছ থেকে আরও ৩ শতক জমি বিক্রয়ের টাকা গ্রহণ করেন এবং ২৫২১ দাগে ৩ শতক জমি অনাপত্তিসহ রেকর্ড করে দেন। এতে মোট ৪৫ শতক জমি তার পিতা ও চাচারা ভোগদখল করে আসছেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, কয়েক বছর পর সলেমান ১০ শতাংশ জমি ফেরত চাইলে বিনিময় হিসেবে তার পিতা ২৫৩ ও ২৫২১ দাগ থেকে ১০ শতাংশ জমি তাকে প্রদান করেন। এর বিনিময়ে সলেমান আরাজি বাহিরঘাট মৌজার একটি দাগ থেকে ৭ শতাংশ জমি তার পিতার নামে দলিল করে দেন। বর্তমানে বনগ্রামের কাদের তাদের এ জমি দখলের ষড়যন্ত্র শুরু করেন। তাদের এ সব দাদে ২ শতক জমি দাবি করে সালাউদ্দিনও ও তার পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখান কাদের। প্রতিপক্ষ তাদের ‘মব জাস্টিস’ করে জমির দখল নিবে জানিয়ে দেন। এই পরিস্থিতিতে বিরোধটি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে মীমাংসার জন্য মানবাধিকার উন্নয়ন উদ্যোগ ফাউন্ডেশনে অভিযোগ করেন সালাউদ্দিন। মানবাধিকার উন্নয়ন উদ্যোগ ফাউন্ডেশন যশোর সদরের প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট রুহিন বালুজ ১০ জন আইনজীবী সমন্বয়ে একটি টিম গঠন করে শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর ঘটনাস্থল প্রেমবাগে যান। এ সময় যুবদল নেতা পরিচয়দানকারী সোহেল ও তার লোকজন নোটিশ পেয়ে সালিশে যান। সালিশে সোহেল ও তার লোকজন কথাবার্তার একপর্যায়ে অভিযোগকারী সালাউদ্দিনকে ধরে স্কুল ভবনের মধ্যে আটক রেখে মানবাধিকার সংস্থার আইনজীবীদের সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য করেন। এনিয়ে বেশ উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে আইনজীবী রুহিন বালুজ অভয়নগর থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগকারী সালাউদ্দিনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার ওসি তদন্ত লুৎফর রহমান জানিয়েছেন, বিষয়টি অবহিত হয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সালাউদ্দিনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। এ ব্যাপারে অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। যুবদল নেতা পরিচয়দাকারী সোহেল জানিয়েছেন, জমি নিয়ে বিরোধ মিমাংসার সময় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। পুলিশ সংবাদ দিয়েছিলেন অভিযোগকারী সালাউদ্দিন। পুলিশ এসেছিল। বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছে।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)