Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

শার্শায় এইচএসসিতে পাসের হার ৪৩.১০, জিপিএ-৫ মাত্র ২৮

এখন সময়: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর , ২০২৬, ০৫:৫৯:০০ এম
শার্শায় এইচএসসিতে পাসের হার  ৪৩.১০, জিপিএ-৫ মাত্র ২৮

শেখ কাজিম উদ্দিন, বেনাপোল : যশোরের শার্শা উপজেলায় ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে। উপজেলার সর্বমোট ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবার গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪৩.১০ শতাংশ। এর মধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ২৫ শতাংশের নিচে। তবে সার্বিক ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক থেকে উপজেলায় শীর্ষস্থান দখল করেছে শার্শা উপজেলা কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২৩ জন পাস করেছে। পাসের হার ৭০.৭৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে সর্বোচ্চ ১৫ জন শিক্ষার্থী। শার্শা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবার মোট ১ হাজার ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ৮০৯ জন। পুরো উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮ জন শিক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, ড. মশিউর রহমান মহিলা কলেজ থেকে ৬৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৫ জন পাস করেছে। পাসের হার ৫১.৪৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন। পাকশিয়া আইডিয়াল কলেজ থেকে ৭৭ জনের মধ্যে ৩৬ জন পাস করেছে। পাসের হার ৪৬.৭৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন। নাভারন কলেজ থেকে ১৬৫ জনের মধ্যে ৭৭ জন পাস করেছে। পাসের হার ৪৬.৬৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে চারজন। ড. আফিল উদ্দিন কলেজ থেকে ৩৩৫ জনের মধ্যে ১৪৮ জন পাস করেছে। পাসের হার ৪৪.১৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিনজন। শার্শা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে ৩২৭ জনের মধ্যে ১৪১ জন পাস করেছে। পাসের হার ৪৩.১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিনজন। লক্ষ্মণপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১ জন পাস করেছে। পাসের হার ৩৩.৩৩ শতাংশ। তবে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি। গোগা ইউনাইটেড আদর্শ কলেজ থেকে ১১৩ জনের মধ্যে ৩৯ জন পাস করেছে। পাসের হার ৩৪.৫১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন। সরকারি বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ কলেজ থেকে ১৫১ জনের মধ্যে ৪২ জন পাস করেছে। পাসের হার ২৭.৮১ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকেও কেউ জিপিএ-৫ পায়নি। অন্যদিকে, বেনাপোল ডিগ্রি কলেজ থেকে ২৬২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ৫৫ জন। পাসের হার ২০.৯৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। উপজেলার সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করেছে বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র দুজন পাস করেছে। পাসের হার মাত্র ৬.৪৫ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকেও কেউ জিপিএ-৫ পায়নি। শার্শা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ের একাডেমিক সুপারভাইজার একেএম নুরুজ্জামান প্রতিষ্ঠানভিত্তিক এ ফলাফল জানিয়েছেন। এদিকে, শার্শা উপজেলার কয়েকটি কলেজে সন্তোষজনক ফলাফল হলেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের নিম্নমুখী ফলাফলে স্থানীয় শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষা সচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, পিছিয়ে পড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পড়াশোনার মানোন্নয়নে নিয়মিত তদারকি বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে এসব কলেজের ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধান, শিক্ষার পরিবেশ ও পাঠদান পদ্ধতি পর্যালোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)