Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒ সংবাদ সম্মেলন

শার্শায় কলেজ ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

এখন সময়: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর , ২০২৬, ০৫:৫৯:০১ এম
শার্শায় কলেজ ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত  ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : শার্শার বাগআঁচড়া ঘোষপাড়ায় কলেজছাত্রী কাজল রেখাকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত, শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও ধর্ষণের হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সাথে তার পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা এবং তাদের বাড়িছাড়া করার হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী কাজল রেখা। রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কাজল রেখা জানান- তার বাবা জালাল হোসেন মারা যাওয়ার পর মা ও ছোট ভাইকে নিয়ে তারা তার নানার বাড়ি শার্শার বাগাআচঁড়ার ঘোষপাড়ায় বসবাস করছেন। তার খালাতো ভাই ও তার পরিবারের অত্যাচারের কারণে একপর্যায়ে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিতে হয়েছে তাকে। বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষা শেষ করে বাড়িতে অবস্থান করছেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন-তার খালাতো ভাই বাগআঁচড়া ঘোষপাড়ার ইমন হোসেন, খালু আইয়ুব হোসেন এবং একই এলাকার প্রভাবশালী আলী আহম্মদ দীর্ঘদিন ধরে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছেন। গত ২৮ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ির সামনের রাস্তায় গেলে ইমন তার ওড়না ছিনিয়ে নেয় এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করে। এ সময় তাকে ধর্ষণ ও গ্রামছাড়া করার হুমকি দেয়। কাজল রেখার দাবি, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে বিচার চেয়েও প্রতিকার পাননি। গত ২৮ অক্টোবর শার্শা থানায় ইমন হোসেনকে প্রধান করে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে অভিযোগের পরও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে তিনি জানান। সংবাদ সম্মেলনে কাজল রেখা নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নির্বিঘ্নে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার পরিবেশ তৈরিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এ সময় তার মা মাজেদা বেগম উপস্থিত ছিলেন। শার্শা থানার এসআই ফরহাদ হোসেন জানান, দুই পরিবারের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ। কাজল রেখা ও তার মায়ের উপর কোন অত্যাচার বা নির্যাতন করেননি ইমন বা তার পিতা। তাদের জমি থেকে উচ্ছেদ করার পায়তারা করার যে অভিযোগ আনা হচ্ছে এমন কোন প্রমাণও পাওয়া যায়নি। এলাকার প্রবীণ ব্যক্তি আলি আহমেদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে সেটাও সত্য নয়। বিষয়টি ওসি সাহেবকে জানানো হয়েছে।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)