বাজারে নতুন চাল, কমেছে দাম

এখন সময়: মঙ্গলবার, ২৫ জুন , ২০২৪, ০১:৩২:২৩ এম

 

মুর্শিদুল আজিম হিরু : যশোরের বাজারে নতুন চাল এসেছে। দামও কমেছে কিছুটা। নতুন দামের ভোজ্য তেল বাজারে না আসলেও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে পেঁয়াজ-রসুন ও আলুর দাম কমেনি। উর্ধ্বদামে অপরিবর্তিত আছে সবজি, ডাল, মাছ, মাংশের দাম। বৃহস্পতিবার শহরের বড় বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

ভোজ্য তেলের ভ্যাট অব্যহতির মেয়াদ শেষ। বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে চলছিল নানা গুঞ্জন। গতকাল সরকার ভোজ্য তেলের দাম কেজিতে ১২ টাকা বৃদ্ধি করে নতুন দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। বর্তমানে প্রতিকেজি সয়াবিন তেলের দাম ১৮৭ টাকা। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯৯ টাকা। ১৩৫ টাকা কেজি সুপার পাম তেল। প্রতি কেজি পাম তেলের দাম ১৩০ টাকা কেজি।  নতুন দামের তেল বাজারে না আসলেও পুরাতন দামের তেল নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে নতুন দামের তেল না আসলেও নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে ভোজ্য তেল।

ঊর্ধ্বদামে অপরিবর্তিত আছে আলু, পেঁয়াজ-রসুনের দাম। এরমধ্যে মরিচের দাম কেজিতে বৃদ্ধি পেয়েছে ৪০ টাকা। প্রতি কেজি রসুন বিক্রি হয় ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা। ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পেঁয়াজ। ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় আলু। প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হয় ১০০ টাকা কেজি।

বাজারে নতুন চাল এসেছে। চিকন চালের দাম কমেছে বেশ। মোটা চালের দাম আগের মত আছে।  প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হয় ৪৪ টাকা থেকে ৪৬ টাকা। ৫০ টাকা থেকে ৫২ টাকা কেজি বিক্রি হয় বিআর-২৮ চাল। প্রতি কেজি বিআর ৪৯-চাল বিক্রি হয় ৫০ টাকা থেকে ৫২ টাকা। ৪৮ টাকা থেকে ৫২ টাকা কেজি বিক্রি হয় বিআর-১০ চাল বিক্রি । প্রতি কেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হয় ৫২ টাকা থেকে ৫৬  টাকা। ৬৬ টাকা থেকে ৬৮ টাকা কেজি বিক্রি হয় বাংলামতি চাল।

বাজারে সবজির দাম অনেক বেশি। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয় ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা। ৪০ টাক কেজি বিক্রি হয় টমেটো। প্রতি কেজি শসা বিক্রি হয় ৪০ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বরবটি। ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় সজনে। প্রতি কেজি পটল বিক্রি হয় ৫০ টাকা। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কুমড়া। প্রতি কেজি ঝিঙে ও কুশি বিক্রি হয় ৫০ টাকা কেজি। ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হয় উচ্ছে। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধেড়স।

বাজারে মাছ মাংশের দাম কমেনি। প্রতি কেজি বড় ইলিশ মাছ বিক্রি হয় ১২শ’ টাক থেকে ১৫শ’ টাকা কেজি। সাড়ে ৭শ’ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা কেজি বিক্রি হয় মাঝারি সাইজের ইলিশ। প্রতি কেজি জাটকা ইলিশ মাছ বিক্রি হয় সাড়ে ৩শ’ টাকা থেকে সাড়ে ৪শ’২০ টাকা কেজি। ১৩০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় তেলাপিয়া মাছ। প্রতি কেজি রুই-কাতলা মাছ বিক্রি হয় ২২০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা কেজি। ২০০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা কেজি বিক্রি মৃগেল মাছ। প্রতি কেজি চিলবর্কাপ মাছ বিক্রি হয় ১৪০ টাকা থেকে ১৮০ টাকা কেজি। ২৮০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হয় চাষের শিং মাছ। প্রতি কেজি কই মাছ বিক্রি হয় ২০০ টাকা থেকে ২২০ টাকা।

প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয় ২২০ টাকা থেকে ২৩০ টাকা। ৩৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় সোনালী, লেয়ার ও কক মুরগী। সাড়ে ৫শ’ টাকা কেজি বিক্রি হয় দেশি মুরগী। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হয় সাড়ে ৭শ’ টাকা। ১০০০ টাকা থেকে সাড়ে ১১০০ টাকা কেজি ছাগলের মাংসের দাম।

বাজারে ডালের দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হয় ১শ’৪০ টাকা। ১শ’ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত মুসুর ডাল। প্রতি কেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৯০ টাকা। ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। প্রতি কেজি মুগের ডাল বিক্রি হয় ১শ’ টাকা থেকে ১শ’৩০ টাকা। ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কলাইয়ের ডাল।