❒একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি

যশোর শিক্ষা বোর্ডে পছন্দের কলেজে আসনের তুলনায় দ্বিগুণ আবেদন

এখন সময়: শুক্রবার, ১৯ জুলাই , ২০২৪, ০৮:৪৫:৫৫ পিএম

মিরাজুল কবীর টিটো : এইচএসসিতে প্রতিবার ভালো ফলাফল করে যশোর বোর্ডের এমন সব সেরা কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য এবার দ্বিগুণেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। কারণ, একই শিক্ষার্থী তাদের পছন্দের একাধিক সেরা কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করেছে। 

যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজে একাদশ শ্রেণিতে আসন সংখ্যা ৭৩০টি। ওই সংখ্যক আসনের বিপরীতে আবেদন ভর্তির আবেদন পড়েছে প্রায় সাড়ে ১৪শ’টি। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির মত বেশির ভাগ সেরা কলেজগুলোর কোনো কোনোটিতে দুই থেকে তিনগুণ বেশি আবেদন জমা পড়েছে। 

যশোর শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, একাদশ শ্রেণিতে বিভিন্ন কলেজে ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৮৪ আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৬ লাখ ১৯ হাজার ৫৮৪টি। তবে সব শিক্ষার্থী তাদের পছন্দের কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবে না। 

বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক সমীর কুমার কুন্ডু বলেন, এত বেশি সংখ্যক আবেদন পড়লেও  ভর্তির কার্যক্রম শেষে বেসরকারি কলেজে অর্ধেকের বেশি আসন খালি থেকে যাবে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বোর্ডের নির্ধারিত ভর্তির প্রথম আবেদনের সময় ছিল ১০ আগস্ট থেকে ২০ আগস্ট। প্রথম নির্বাচিতদের ফলাফল প্রকাশ করা হবে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর।

উপ-কলেজ পরিদর্শক মদন মোহন দাশ জানান, এসএসসি উত্তীর্ণ ১ লাখ ২৭ হাজার ৬০৯ শিক্ষার্থী একাদশে ভর্তির জন্য এই আবেদন করেছে। এসব শিক্ষার্থীর প্রত্যেকে তাদের পছন্দের ৫টি কলেজে আবেদন করতে পারবে। যার কারণে আবেদন পড়েছে ৬ লাখ ১৯ হাজার ৫৮৪টি। 

তিনি জানান, প্রথম নির্বাচিত শিক্ষার্থীর ফলাফল প্রকাশের পর তারা নিশ্চয়ন না করলে তাদের আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। তারা ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১০  সেপ্টেম্বর আবেদন করতে পারবে।

সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এমএম কলেজ) কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, একাদশ শ্রেণিতে ভতির্র ক্ষেত্রে অনেকেই এই কলেজটিকে তাদের পছন্দের তালিকায় রাখে। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে ভর্তির আবেদনের সময় পছন্দক্রমে এমএম কলেজের নাম দেয়। যার কারণে আবেদনের সংখ্যা অনেক বেশি হয়। কলেজের আসন সংখ্যা ৭৩০টি। এর বিপরীতে প্রায় দ্বিগুণ আবেদন জমা পড়েছে। 

এ ব্যাপারে কলেজ পরিদর্শক সমীর কুমার কুন্ডু জানান, যশোর বোর্ড থেকে এসএসসি পাশ করা সব শিক্ষার্থী যশোর বোর্ডের কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করে না। অনেক শিক্ষার্থী মাদ্রাসা,কারিগরি বা অন্য বোর্ডে আবেদন করে। আবার ভর্তির সুযোগ পাওয়া অনেক শিক্ষার্থী পছন্দের কলেজের ভর্তির সুযোগ না পেয়ে নিশ্চয়ন না দিয়ে অন্য বোর্ডে আবেদন করে। এ কারণে ভর্তির পরও বেসরকারি কলেজ গুলোতে অনেক আসন প্রতি বছর খালি থাকে।