নিজস্ব প্রতিবেদক : শারদীয়া দুর্গোৎসবকে উৎসব মুখর এবং প্রানবন্ত করে তুলতে জেলা শহর যশোরে চলছে জোর প্রস্তুতি। ২৮ সেপ্টেম্বর মহাষষ্ঠী। মাঝে সময় মাত্র কদিন। মন্দির ও মন্ডপের প্রতিমা এক প্রকার প্রস্তুত হয়েছে। এখন চলছে রং এর কাজ। ২০ সেপ্টেম্বরের পরে হবে প্রতিমায় বস্ত্র পরিধান বা সাজসজ্জা।
সার্বিক নিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ। ১১ সেপ্টেম্বর খুলনায় ডিআইজি কার্যালয়ে যশোর সহ ১০ জেলার পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের সভা শেষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সাথে সভাকরে সবকিছুই চূড়ান্ত হবে।
এবার জেলার আট উপজেলায় ৬৯৯ টি মণ্ডপ বা মন্দিরে পালিত হবে পূজা। এর মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক সদর উপজেলায় ১৬০ টি মন্ডপে অনুষ্ঠিত হবে । এছাড়া অভয়নগর উপজেলা ১২৬ টি, কেশবপুর উপজেলায় ৯৮, মণিরামপুর উপজেলায় ৮৬, বাঘারপাড়া উপজেলায় ৯০, ঝিকরগাছা উপজেলায় ৫১, চৌগাছা উপজেলায় ৪৮ এবং শার্শায় উপজেলায় ২৯ টি।
এখন পুজা উদযাপন পরিষদ, ভাস্করসহ মন্দির ও মন্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দের ব্যস্ততার শেষ নেই। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উৎসবকে সামনে রেখে কেনাকাটারও চালিয়ে যাচ্ছে।
ভাস্কর জয়দেব পাল জানান প্রতিমা তৈরি কমপ্লিট এখন রঙয়ের কাজ চলছে। চক্ষুদান ও প্রতিমায় বস্ত্র পরিধান বা সাজসজ্জা পূজার দুদিন আগেই সম্পন্ন করবো।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপঙ্কর দাস রতন জানান কেন্দ্রীয় কমিটি ও জেলা কমিটির সভা হয়ে গেছে। উৎসব নির্বিঘ্ন করতে কাজ করে যাচ্ছি। সার্বিক দেখভাল করার জন্য প্রত্যেকটা মণ্ডপে স্থানীয় মুসলিম ও সনাতনী মিলে কমিটি গঠন করা হবে। তিনি বলেন প্রত্যেকটা মণ্ডপে পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা বসানোর জন্যেও প্রশাসনের সাথে কথা বলবো।