Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

যশোর শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার পরীক্ষক নিয়োগে দিক নির্দেশনা

এখন সময়: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি , ২০২৬, ০২:০২:১২ এম

মিরাজুল কবীর টিটো : যশোর শিক্ষা বোর্ডের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষক নিয়োগে ওটিপি পুরণের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ ও দিক নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে বোর্ডের কালো তালিকাভুক্ত শিক্ষক ও খণ্ডকালীন শিক্ষকের নাম ওটিপি থেকে বাদ দিয়ে সংশোধন করতে হবে। তানা হলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বোর্ডের ওয়েবসাইটে দেয়া পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন সাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে এতথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
চিঠিতে উল্ল্যেখ করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ কর্মরত সকল শিক্ষককে পরীক্ষা সংক্রান্ত গোপনীয় কাজ সম্পাদনের লক্ষ্যে ওটিপি পূরণ নিশ্চিত করবে প্রতিষ্ঠান প্রধান। সম্প্রতি প্রধান পরীক্ষক হওয়ার জন্য অনেক শিক্ষক মাস্টার ট্রেইনার না হওয়া সত্ত্বেও ওটিপির ডাটায় মাস্টার ট্রেইনার কলাম এন্ট্রি করেছেন। যারা প্রকৃতপক্ষে মাস্টার ট্রেইনার নয় তারা অনতিবিলম্বে ওটিপির ডাটা থেকে মাস্টার ট্রেইনার কলাম সংশোধন করতে হবে। নতুনা এরূপ প্রতারণামূলক তথ্য প্রদানের জন্য তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান সত্যায়নকারীর দায় এড়াতে পারবেন না। কারণ প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে তিনি প্রতিটি শিক্ষকের তথ্য অনুমোদনকারী। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা থেকে সৃজনশীল প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও পরিশোধন প্রশিক্ষণে যারা অংশাহণ করেছেন, তারা -এর ডাটাতে মাস্টার ট্রেইনার অগ্রাম পূরণ করবেন।
কিছু শিক্ষক তাদের ফলাফল তথা এসএসসি, এইচএসসি, স্নাতক (পাশ), স্নাতক (সম্মান), মাস্টাস, বিএড, এমএড, পিএইচ.ডি ইত্যাদি পরীক্ষায় প্রাপ্ত বিভাগ বা শ্রেণি ওটিপির নির্দিষ্ট কলামে এন্ট্রি না করে ফাঁকা রাখেন অথচ প্রধান পরীক্ষক, পরীক্ষক হওয়ার ক্ষেত্রে ফলাফলে নির্দিষ্ট পয়েন্ট রয়েছে। সুতরাং অবিলম্বে কলাম সমূহে তাদের প্রাপ্ত বিভাগ ও শ্রেণি এন্ট্রি করতে হবে।
প্রথম যোগাদনের ক্ষেত্রে শিক্ষকরা বর্তমান স্কুল বা কলেজে যোগদানের তারিখ দিয়ে থাকেন। এ কারণে তাদের শিক্ষকতার প্রকৃত অভিজ্ঞতার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। একজন শিক্ষক একটি প্রতিষ্ঠানে ১০ বছর কর্মরত ছিলেন, পরবর্তীতে বর্তমান প্রতিষ্ঠানে ৫ বছর কর্মরত আছেন। তাহলে তথ্য অভিজ্ঞতা হবে ১৫ বছর। এ ক্ষেত্রে বর্তমান প্রতিষ্ঠানে যোগদানের তারিখ দিয়ে ভাটা এন্ট্রি করলে অভিজ্ঞতা ৫ বছর বিবেচেনায় আসবে। সুতরাং তার প্রথম যোদান হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগদানের তারিখ। উল্লেখ্য প্রতি বছর সার্ভিসের জন্য আলাদা পয়েন্ট রয়েছে ।
শিক্ষকদের ডাটা পূরণের সময় অবশ্যই রকেট নম্বর নির্ভুলভাবে প্রদান করতে হবে, খণ্ডকালীন, অনিয়মিত, অক্ষম ও গুরুতর অসুস্থ শিক্ষকদের তথ্য ওটিপিতে পূরণ করা যাবে না। যদি এরকম কোনো শিক্ষকের নাম অন্তর্ভুক্ত থাকে তবে ওটিপি থেকে তার নাম কর্তন করতে হবে।
যে শিক্ষক যে বিষয়ে পাঠদান করেন শুধুমাত্র সে বিষয়ই সিলেক্ট করতে পারবেন, অন্যথায় এ অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। কলেজের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যে বিষয়ে অনার্স, মাস্টার্স করেছেন, সে বিষয়ই সিলেক্ট করতে পারবেন। শিক্ষকের সকল সনদ, নিয়োগপত্র ইত্যাদি তথা প্রমাণাদি প্রতিষ্ঠান প্রধান নিজ দায়িত্বে সংরক্ষন করবেন। প্রয়োজনে বোর্ড কর্তৃপক্ষ সেগুলোর তলব করবে।
ওটিপি পূরণে কোনো তথ্য গোপন বা অসত্য তথ্য সংযোজন করলে এর দায়-দায়িত্ব প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে। যে সকল শিক্ষক অবসর গ্রহণ,মৃত্যুবরণ করেছেন, অন্যত্র বদলি হয়েছে, স্বেচ্ছায় চাকুরি ছেড়ে দিয়েছেন। এমনকি উত্তরপত্র মূল্যায়নে যেসব শিক্ষককে বোর্ড থেকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে অথবা প্রতিষ্ঠানে খন্তকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন তাদের নাম কর্তন করে ওটিপি সংশোধন করতে হবে।
ওটিপির ডাটাবেজ থেকে যে সকল পরীক্ষক, প্রধান পরীক্ষক নিয়োগ করা হবে তাদের অবশ্যই বোর্ড নির্ধারিত তারিখে উত্তরপত্র সংগ্রহ করতে হবে। অনেকে নিয়োগপত্র পাওয়ার পর তার উত্তর সংগ্রহ করেন না। ফলে উত্তরপত্র মূল্যায়নে জটিলতার সৃষ্টি হয় এবং ফলাফল প্রদানে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। নিযোগ পত্র পাওয়ার পরেও বোর্ড নির্ধারিত তারিখে উত্তরপত্র সংগ্রহ না করলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)