Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒# তেলের কোনো ঘাটতি নেই

জ্বালানিবাহী আরও দুটি জাহাজ ‘৯ মার্চ আসছে’: মন্ত্রী

এখন সময়: বুধবার, ২৫ মার্চ , ২০২৬, ১২:০৬:২৩ এম

স্পন্দন ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেছেন, ‘৯ মার্চ’ আরও দুটি জ্বালানিবাহী জাহাজ দেশে পৌঁছাবে। শনিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তার তেজগাঁও কার্যালয়ে বৈঠকের পর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। বৈঠকে তার সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতও ছিলেন। তারা দেশের বর্তমান জ্বালানি তেলের সর্বশেষ অবস্থা প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেছেন। ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের ঘাটতি হতে পারে, এমন আশঙ্কায় রাজধানীর পাম্পগুলোতে তেল কেনার হিড়িক পড়েছে। যানবাহনের লম্বা লাইন দেখা যায় পাম্পগুলোতে। এমন পরিস্থিতিতে তেল বিক্রির সীমা বেঁধে দিয়েছে সরকার। এছাড়া গ্যাস সংকটের কারণে চারটি সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। প্রধামন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বেরিয়ে ৪ নম্বর গেইটে টুকু সাংবাদিকদের বলেন, দেশে তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার ‘কারণ নেই’। “আমরা রেশনিংটা করেছি এই জন্যই যে একটা অনিশ্চয়তা আছে, এই যুদ্ধটা কতদিন চলবে।” তার ভাষায়, রেশনিং চালুর পর অনেক মানুষ আতঙ্কে তেল মজুত করার চেষ্টা করছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে। “মানুষ এই রেশনটাকে ভয় পেয়ে স্টক করা শুরু করেছে। আসলে আমাদের তেলের কোনো অভাব নাই। আমি সবার কাছে অনুরোধ করব, গণমাধ্যমের কাছে অনুরোধ করব জনগণকে এই মেসেজটা দেওয়া যে, এই তাড়াহুড়া করে স্টক করার দরকার নাই। আমাদের কাছে তেল মজুত আছে।” তিনি বলেন, “আসলে আমাদের তেলের কোনো অভাব নাই, সংকট নেই। শুধু তাই না, আমি জানাতে চাই, আগামী ৯ তারিখে আরো দুইটা ভেসেল আসছে। সুতরাং তেলের কোন সমস্যা নাই।” সরকার নিয়মিতভাবে পেট্রোল পাম্পে তেল সরবরাহ করছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, বলেন টুকু। তিনি বলেন, “পেট্রোল পাম্পে আমরা তেল দিচ্ছি এবং চলবে এটা। এটার জন্য লাইন দিয়ে সারারাত জাগার কোনো প্রয়োজন নাই।” সাংবাদিকরা বলেন, কিছু পেট্রোল পাম্পে তেল পাওয়া যাচ্ছে না। জবাবে মন্ত্রী বলেন, “আমরা তো নির্দিষ্ট পরিমান তেল দিচ্ছি । এখন কোনো পাম্প যদি না দেয়, তারপর তো পাবে না। সেটার জন্য আমরা মনিটরিং করছি। আমরা এটি দেখব। “কালকে থেকে আমরা মোবাইল কোর্ট নামাবো। সব রকমের ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি।” রেশনিং কতদিন চলবে, এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এটা যুদ্ধের ওপর নির্ভর করছে। তবে আমরা সরকার হিসেবে আশ্বস্ত করতে চাই, তেল নিয়ে এত উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নাই।” টুকু বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ কতদিন চলবে তা অনিশ্চিত হওয়ায় সরকার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে। “যুদ্ধ কবে থামবে আমরা জানি না। তাই আগে থেকে আমাদের ঘর ঠিক করতে হবে, সঞ্চয় রাখতে হবে।” জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে কাতারের বাইরে বিকল্প ব্যবস্থাও খোঁজা হচ্ছে জানালেও তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে চাননি তিনি। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, দেশে এলএনজি, এলপিজি ও অন্যান্য জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তিনি বলেন, “আগামী দিনগুলোতে যেন কোনো সংকট না ঘটে, সে কারণে আমরা বিকল্প উৎস থেকে কাজ করছি।” দেশবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা সতর্ক থাকব, সবাই সচেতন থাকব।”

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)