নিজস্ব প্রতিবেদক : ভ্রুন হত্যার অভিযোগে স্বামীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে একটি মামলা হয়েছে। রোববার কেশবপুরের বেগমপুর গ্রামের বাদশাহ গাজীর মেয়ে জিম খাতুন বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। সিনিয়র জুডিসয়িাল ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবা শারমিন অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার আদেশ দিয়েছেন মণিরামপুর থানার ওসিকে।
আসামিরা হলো- মণিরামপুরের হাজরাকঠি গ্রামের আবু সাঈদ ও তার পিতা আরিজুল ইসলাম, মা তাসলিমা খাতুন এবং বোন মুক্তা খাতুন।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি আসামি আবু সাঈদ পরিবারিক ভাবে জিম খাতুনকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে জিমের উপর স্বামীসহ পরিবারের অন্যরা যৌতুকের দাবিতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিল। জিম খাতুন সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। যৌতুকের টাকা এনে দিতে ব্যর্থ হওয়ায় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জিমের স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে বেদম মারপিটে আহত করে। গুরুতর আহত জিমকে প্রথমে কেশবপুরের একটি ক্লিনিকে পরে যশোর আদ-দ্বীন সকিনা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হলে পরীক্ষা করে গর্ভের সন্তান মারা গেছে বলে জানান চিকিৎসকরা। ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জিম হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিলে সকলের পরামর্শে তিনি আদালতে এ মামলা করেছে।