Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

নড়াইলে চিত্রা ও মধুমতি নদী থেকে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ১

এখন সময়: শনিবার, ২৮ মার্চ , ২০২৬, ১১:৩৪:৪২ পিএম

ফরহাদ খান ও মাহফুজুল ইসলাম মুন্নু, নড়াইল: নড়াইলের কালিয়ায় চিত্রা ও লোহাগড়ার মধুমতি নদী থেকে নিখোঁজ দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কালিয়া উপজেলার মহিষখোলা গ্রামে চিত্রা নদীতে গোসল করতে নেমে প্রতিবেশি দুই শিশু নিখোঁজ হয়। এদের মধ্যে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একজন নিখোঁজ রয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। অপরদিকে, লোহাগড়ায় মধুমতি নদীতে নিখোঁজের দুইদিন পর শিশু তাসমিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত তাসমিয়া যশোর সদর উপজেলার হৈবৎপুর ইউনিয়নের সাতমাইল এলাকার শাহবাজপুর গ্রামের জিন্নাহের মেয়ে। সে চাচি রেশমার সাথে ঘুরতে গিয়েছিল। পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, কালিয়ার মহিষখোলা গ্রামের আবদুল্লাহ শেখের মেয়ে আরিয়া (৭) এবং এনায়েতে শেখের মেয়ে রাফিয়া (৬) বাড়ির পাশের চিত্রা নদীতে গোসল করতে যায়। একপর্যায়ে তারা পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ হয়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যসহ স্থানীয় লোকজন চিত্রা নদীতে নেমে দুইজনকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে যাদবপুর খেয়াঘাট এলাকা থেকে রাফিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশু আরিয়াকে এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী দু’টি পরিবারসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কালিয়া থানার ওসি ইদ্রিস আলী জানান, গোসল করতে নেমে চিত্রা নদীতে দু’টি শিশু নিখোঁজের বিষয়ে অবগত হয়েছেন। এর মধ্যে একজন উদ্ধার হলেও শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত আরেকজন উদ্ধার হয়নি। নিখোঁজ শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিকে, ঈদের ছুটিতে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের পাংখারচরে ‘মিনি কক্সবাজার’ হিসেবে পরিচিত মধুমতি নদীতে পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে এসে নিখোঁজের দু’দিন পর শিশু তাসমিয়ার (১১) মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। শনিবার (২৮ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দুর্ঘটনাস্থলের প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দুরে ডিগ্রিরচর খেয়াঘাট এলাকায় তার মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। ঈদের ছুটিতে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কুন্দসী এলাকায় নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে গত ২৬ মার্চ পাংখারচরে ‘মিনি কক্সবাজার’ হিসেবে পরিচিত মধুমতি নদীতে পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে যায় শিশু তাসমিয়া। দু’টি ট্রলারে ঘুরতে বের হয় তাসমিয়ার পরিবার। নদীচরে ছবি তোলাসহ ঈদ আনন্দে মেতে উঠে তারা। একপর্যায়ে নদী পাড়ে এসে পরিবারের সদস্যরা তাসমিয়াকে দেখতে না পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও তাৎক্ষণিক তাসমিয়াকে শনাক্ত করতে পারেননি। অবশেষে শনিবার সকালে নদীতে তার মরদেহ ভেসে ওঠে। এ ঘটনায় তাসমিয়ার পরিবারসহ নানাবাড়িতে শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাসমিয়ার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন লোহাগড়া থানার ওসি আব্দুর রহমান।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)