Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

আশাশুনির মহিষকুড়ে জবর দখলকৃত মৎস্য ঘের শালিসি সিদ্ধান্তে পুনরুদ্ধার

এখন সময়: বুধবার, ১ এপ্রিল , ২০২৬, ০৬:৪৯:৫৩ এম

আশাশুনি প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের মহিষকুড় মৌজায় জবর দখলকৃত মৎস্য ঘের শালিসী সিদ্ধান্তে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে জমির মালিক পক্ষ বাঁধ পুনঃনির্মান করে ঘেরের দখল বুঝে নেন।
ঘের মালিক অবঃ ব্যাংক কর্মকর্তা আছাফুর রহমান মোল্যা জানান, মহিষকুড় মৌজায় ৫০ নম্বর খতিয়ানে ৩৪৫, ৩৬৩ ও ৩৭৬ দাগে পৈত্রিক ও ক্রয়সূত্রে প্রাপ্ত ৮৪ শতক এবং বীর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মইজুদ্দিন গাজীর পুত্র শহিদুল ইসলামের ১.০০ একর জমি ডিড নিয়ে ২০২২ সাল থেকে মৎস্য ঘের হিসাবে ভোগদখল করে আসছেন। ২০২৫ সালের মে মাসে ঘেরের পূর্ব পাশের বাঁধ কেটে মোশাররফ হোসেন মজনু, মন্টু ও তাদের সন্তানেরা নিজেদের ঘেরের সাথে একাকার করে দেয়। এতে তার দেড় লক্ষ টাকার মাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এব্যাপারে তিনি (আছাফুর রহমান) বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করেন। থানায় বসাবসি হলে মজনু জমি বুঝিয়ে দেবে বলে অঙ্গীকার করেন, কিন্তু বুঝিয়ে না দিয়ে উল্টো তাকে (আছাফুর মোল্যাকে) অপদস্ত করা হয়। পরবর্তীতে তিনি জন মজুর নিয়ে বাঁধের কাজ করতে গেলে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাঁধ তছনছ করিয়ে নেন মজনু দিং। মান সম্মানের খাতিরে তিনি জমির দখলে যেতে সাহস পাননি। সম্প্রতি ইউপি সদস্য আক্তার হোসেন মোল্যা ও গণ্যমান্যদের মাধ্যমে গত ৫ রমজান শালিসী বৈঠক হলে মজনু ঈদের পরে ঘের ছেড়ে দেবে বলে সম্মতি জানান। কিন্তু ঈদের পর টালবাহনা শুরু করলে মেম্বর ও শালিসকারকরা শালিসী সিদ্ধান্ত মত জমি দখল নিতে সিদ্ধান্ত জানান। মঙ্গলবার সকালে তিনি (আছাফুর মোল্যা) পরিবারের লোকজন, গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে জনমজুর দিয়ে পুরনো সীমানা দিয়ে মাটির বাঁধ দিয়ে ঘেরের দখল গ্রহন করেন। আছাফুর রহমান আরও বলেন, আমাদের উপর শক্তি প্রয়োগ করে অবৈধ দখল নিয়ে অন্যায় অবিচার করা হয়েছে। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় নেতৃবৃন্দের কাছে ন্যায্য বিচার কামনা করছি।
শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মইজুদ্দীন গাজীর ছেলে শহিদুল ইসলাম জানান- আমাদের ১ একর জমি মজনু দিং জবর দখল করে রেখেছিল। আমি জমি আছাফুর রহমান মোল্যার কাছে ডিড দিয়েছি। আজকে জমিতে বাঁধ দিয়ে দখল বুঝে নেয়া হলো।
মহিষকুড়ের মাগফুর রহমান বুলু জানান-মজনু দিং অবৈধ ভাবে জমি জবর দখল করে রেখেছিল। আছাফুর রহমান তার পৈত্রিক ও ডিড নেওয়া জমি শালিসের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আজ পৃথক করে দেওয়া হলো।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)