মিরাজুল কবীর টিটো : আগামী ২১ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর, নকলমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে গ্রহণ ও সঠিক ফলাফল প্রকাশের লক্ষ্যে কঠোর অবস্থানে রয়েছে যশোর শিক্ষা বোর্ডে । পরীক্ষা শাখা থেকে নেয়া হয়েছে নানা পদক্ষেপ। এর মধ্যে ২০২৫ সালের পরীক্ষায় বহিষ্কার হওয়া ১০ শিক্ষার্থীকে এ বছরের পরীক্ষায় ফরমপূরণ করতে দেয়া হয়নি। ফলে তারা পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পায়নি। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র সনাক্ত করতে পরিদর্শনে কর্মকর্তারা, ঝুঁকি এড়াতে কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ প্রদান, পরীক্ষা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় কেন্দ্র সচিব ছাড়া কেন্দ্রের অন্য শিক্ষককে অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সেই সাথে উত্তরপত্র মূল্যায়নে ভুল করা প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষকদের অব্যাহতি দেয়া হয়েছে বলে জানান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন।
বোর্ড সূত্র জানায়- এ বছর এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর, নকলমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে গ্রহণের লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু করা হয়েছে। ফরম পুরণের সময় গত বছর বহিস্কৃত ১০ শিক্ষার্থীর শাস্তি হিসেবে এবছর পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে দেয়া হয়নি। বোর্ডে শৃঙ্খলা কমিটির সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বোর্ডের আওতাধীন সকল কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানদের চিঠি দেয়া হয়েছে। যে প্রতিষ্ঠানে ক্যামেরা স্থাপন হবে না, সেখানকার কেন্দ্র বাতিল করা হবে। বোর্ডের ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র সনাক্ত করতে বোর্ডের কর্মকর্তারা প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান সচিব প্রফেসর এসএম মাহাবুবুল ইসলাম। তিনি জানান- কোন পরীক্ষা কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হলে সেই কেন্দ্র বাতিল করা হবে। আগামী সপ্তাহে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করা হবে। সেখানে যদি কোন কেন্দ্র সচিব না এসে কোন শিক্ষককে পাঠান তাহলে তাকে মতবিনিময় সভায় অংশ গ্রহণ করতে দেয়া হবে না। বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন জানান মতবিনিময় সভায় কেন্দ্র সচিবদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেয়া হয়। একারনে কেন্দ্র সচিবদের বার্ধ্যতামূলকভাবে উপস্থিত থাকতে হবে। কোন কোন কেন্দ্র সচিব না এসে তার প্রতিষ্ঠানের কোন শিক্ষককে পাঠাতে পারবেন না। এদিকে ২০২৫ সালে এসএসসি পরীক্ষার উত্তর পত্র মুল্যায়নে ভুল করা ৬০ প্রধান পরীক্ষক, পরীক্ষক কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এরা এবছর পরীক্ষার উত্তর পত্র মূল্যায়ন করতে পারবে না। তাদের পরিবর্তে নতুন প্রধান পরীক্ষক, পরীক্ষক নিয়োগ দিয়ে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হবে।