Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

বেনাপোলে পলাশ অপহরণ ও গুমের মামলায় রিমান্ডে সাবেক চেয়ারম্যান

এখন সময়: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ , ২০২৬, ১১:৩৮:১৬ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : বেনাপোলের যুবদল কর্মী পলাশ হোসেনকে অপহরণ ও গুমের মামলায় আটক সাবেক চেয়ারম্যান মফিজুর রহমানের দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। মঙ্গলবার রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল এ আদেশ দিয়েছেন। মফিজুর রহমান বেনাপোলের ধান্যখোলা গ্রামের মৃত আনু কামারের ছেলে ও বাহাদুরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, বেনাপোলের ভবেরবেড় গ্রামের মৃত বাবলু ফারাজীর ছেলে পলাশ হোসেন যুবদল কর্মী ছিলেন। রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে আসামিরা প্রায় সময় পলাশকে খুন-জখমের হুমকি দিত। ২০১৫ সালের ১০ জুন আসামি মিজাক ফোন করে পলাশ হোসেনকে বাড়ির সামনে দেখা করতে বলে। রাত ৯ টার দিকে পলাশ ও তার স্ত্রীসহ স্বজনরা বাড়ির বাইরে এসে দেখে আসামি মিজাক ও পিন্টু মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। পলাশ তাদের সাথে সালাম বিনিময়ের পর তারা তাকে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে শিকারপুরের দিকে নিয়ে যায়। রাত ১০ টার দিকে স্বজনেরা পলাশকে ফোন দিয়ে নিশ্চিত হয় চেয়ারম্যান কামাল হোসেন ভুইয়ার বাসায় আছে। রাত সাড়ে ১০ টার দিকে পলাশের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় খোঁজাখুজির পর উদ্ধারে ব্যর্থ হয়। এ ঘটনায় নিখোঁজ পলাশের স্ত্রী ১২ অক্টোবর বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি জিডি করেন। পরবর্তীতে পলাশকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পলাশ হোসেনকে অপহরণ ও গুমের অভিযোগে ওই সময় থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ করেনি। পরিবেশ অনুকূলে আসায় ২০২৫ সালের ২৬ অক্টোবর নিখোঁজ পলাশের ভাই মুরাদ ৭ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেন।
আাসমিরা হলো- শার্শার লক্ষনপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান কামাল হোসেন ভুইয়া ও তার ছেলে পিন্টু, ভাই বেনাপোলের ছাত্রাপাড়ার বাসিন্দা কবির হোসেন, বাহাদুরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান ও তার ভাই আশানুর রহমান আশা, বেনাপোলের মৃত সামছেরের ছেলে মিজাক এবং চৌগাছার দিঘলসিংহ গ্রামের ইদ্রিস মন্ডলের ছেলে শার্শার দক্ষিণ বুরুজবাগান গ্রামের আলমগীরের বাড়ির ভাড়াটিয়া কামাল উদ্দীন। আদালতের আদেশে চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি মামলাটি বেনাপোল পোর্ট থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মিলন মোল্যা ২৬ মার্চ আটক মফিজুর রহমানকে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। মঙ্গলবার রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে বিচারক আসামির দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)