নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়ন বিএনপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের যুগ্ম আহবায়ক আলমগীর হোসেন একজন ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচিত। বিগত দিনে অসংখ্যবার হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন। দলের দুঃসময়ে তার ভুমিকা ছিল চোখে পড়ার মত। সু সময়ে তার খবর রাখে না কেউ। বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে ফেসবুক লাইভে হাউমাউ করে কাঁদলেন আলমগীর। বললেন আমি আর দল করবোনা। ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিলাম। আলমগীর হোসেন বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশের ভয়ে রাতে ঠিকমত বাড়ি ঘুমাতে পারেননি। মাসের পর মাস রাত মাঠে কাটিয়েছেন। পুলিশ আসছে খবর শুনে ভাতের প্লেট রেখে পালিয়ে গেছেন। ১১ টি রাজনৈতিক মামলার আসামি হয়েছেন। জেলের ঘানি টেনেছেন। জেলে থাকাকালীন বাবাকে হারিয়েছেন। সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মুন্নার নেতৃত্বে দুর্বৃত্তরা চুড়ামনকাটি স্টেশন রোডে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে টিভি, ফ্রিজসহ দোকান ভাঙচুর করেছে। ৫ আগষ্টের পর ভেবেছিলাম ভালো থাকবেন। কিন্তু তা আর হলোনা। বর্তমানে তার কর্মস্থলটিও দখল করে নেয়া হয়েছে। অথচ মাত্র ৫টি আলমসাধু নিয়ে স্ট্যান্ডটি চালু করেছিলেন তার বাবা হারেজ আলী। আলমগীর হোসেন লাইভে কাঁদতে কাঁদতে বলেন- বিএনপি করার কারণে পুলিশের নির্যাতনে আমার কোমরের টিস্যু নষ্ট। আমার সন্তানরা নির্যাতনের শিকার হয়েছে। হারানো দিনগুলো হয়তো আর ফিরে পাবোনা। কিন্তু এখন আপনারা আমাকে সাধারণভাবে বাঁচতে দিন। গত নির্বাচনে এক মাস দোকান বন্ধ রেখে আমার নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের ভোটের প্রচারণায় মাঠে ছিলাম। অকান্ত পরিশ্রম করে চুড়ামনকাটির এক নম্বর ওয়ার্ড থেকে ৬১ ভোটে ধানের শীষের বিজয় হয়। গ্রুপিংয়ের রাজনীতির শিকার হয়ে আমি এখন সর্বহারা। চলার পথে ভুল করে থাকলে আপনারা আমাকে ক্ষমা করে দেবেন।