Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

চৌগাছায় চাঁদা না দেওয়ায় আলমগীরকে হত্যার অভিযোগ, বিচার দাবি পরিবারের

এখন সময়: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল , ২০২৬, ১২:২৬:৩২ এম

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের চৌগাছা উপজেলায় আলমগীর হোসেন (৪০) নামে এক যুবককে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তবে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ‘চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা’ হিসেবে কিছু গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে বলেও দাবি তাদের।
নিহতের পরিবার জানায়, গত ২১ মার্চ ২০২৬ দুপুর আড়াইটার দিকে চৌগাছার মাশিলা লক্ষনপুর বিজিবি ক্যাম্পের নিকটে আলমগীরকে ডেকে নিয়ে আটক করে নির্যাতন চালানো হয়। পরিবারের অভিযোগ, ফজলুর রহমান ওরফে ফজলু (৩৯) এর বাড়িতে আটকে রেখে চঞ্চল (৩২)সহ কয়েকজন তাকে হাত-পা বেঁধে অমানবিক নির্যাতন করে। এ সময় উপস্থিত আরাফাত (৪০) ও বিদ্যুৎ (৩৮) তাকে হত্যার নির্দেশ দেয় বলে দাবি করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়, চঞ্চল লোহার শাবল দিয়ে আলমগীরের বুকে আঘাত করে এবং অন্যরা কাঠের বাটাম ও লাঠি দিয়ে মারধর করে তাকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে চৌগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন তার মৃত্যু হয়।
নিহতের মা মছিরন নেছা অভিযোগ করেন, তার ছেলে দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। দেশে ফেরার পর তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে হত্যা করা হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, থানায় নাম উল্লেখ করে মামলা করতে গেলে পুলিশ তা গ্রহণ করেনি;পরে অজ্ঞাত আসামি দিয়ে মামলা রেকর্ড করা হয়। ঘটনার এক মাস পার হলেও কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা হয়নি বলেও জানান তিনি।
নিহতের বোন জাহানারা বেগম অভিযোগ করেন, আসামিরা মামলা না করার জন্য তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। মামলা করলে পরিবারের অন্য সদস্যদের হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তার।
নিহতের স্ত্রী স্বপ্না বেগম বলেন, স্বামীকে হারিয়ে দুই মেয়ে সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি। সুষ্ঠু বিচার না পেলে আত্মহত্যা করা ছাড়া উপায় থাকবে না বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মিজান বলেন, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং এখনো পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলে তিনি জানান।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)