মিরাজুল কবীর টিটো : শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান করার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রণালয় থেকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এলক্ষ্যে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদান তদারকি করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন করতে যশোর শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ইন্টারনেট প্রটোকল (আইপি) ক্যামেরা স্থাপনের জন্য মৌখিকভাবে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানান বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ আসমা বেগম। এরপর নোটিশ পাঠানো হবে।
বোর্ড সূত্র জানায়, অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান করা হয় না। এমনকি শিক্ষকরা পাঠদানের সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকেন। শিক্ষক ক্লাসে থাকলেও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি অনেক সময় কম থাকে। এতে করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা থাকে না। নিয়মিত পাঠদান না করানোর ফলে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে শিক্ষার্থীরা ভাল ফলাফল অর্জন থেকে বঞ্চিত হয়।
শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ফাঁকিবাজি রোধে শিক্ষামন্ত্রণালয় থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইন্টারনেট প্রটোকল ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এটি বাস্তবায়নের জন্য দেশের সব শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানে এ ক্যামেরা স্থাপনের পর প্রতিষ্ঠান প্রধান পাসওয়ার্ড বোর্ড চেয়ারম্যানকে দেবেন। বোর্ড চেয়ারম্যানের মাধ্যমে পাসওয়ার্ড দেয়া হবে শিক্ষামন্ত্রীকে। এর মাধমে শিক্ষামন্ত্রণায় থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান কার্যক্রম তদারকি করা হবে। একই রকম ভাবে তদারকি করবেন বোর্ডে চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। যদি কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম হয়, তাহলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ আসমা বেগম বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফাঁকিবাজি রোধে সারাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইন্টারনেট প্রটোকল ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষামন্ত্রণালয়। সব শিক্ষা বোর্ডকে তাদের আওতাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে এ ক্যামেরা স্থাপনের কার্যক্রম বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যশোর শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে ইন্টারনেট প্রটোকল ক্যামেরা স্থাপনের জন্য মৌখিকভাবে বলা হয়েছে। এরপর নোটিশ আকারে পাঠানো হবে।
এ ক্যামেরার মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান কার্যক্রম তদারকি করা হবে। যদি কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম হয়, তাহলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।