Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

সুন্দরবনে দুইদিনে ২২ জেলে অপহরণ

এখন সময়: বুধবার, ১৩ মে , ২০২৬, ১২:১৪:৪০ পিএম

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সুন্দরবনের পশ্চিম অংশে ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে জলদস্যুতা। দুই দিনে অন্তত ২২ জন জেলেকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে কুখ্যাত আলিম ও নানাভাই বাহিনীর বিরুদ্ধে। এতে উপকূলজুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। গত ৩ মে সকাল থেকে ৪ মে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দুই দিনে সাতক্ষীরা রেঞ্জের চুনকুড়ি, মালঞ্চ নদীর আগা, চালতেবেড়ে, মাইটভাঙা ও পশুরতলা খাল এলাকা থেকে জেলেদের তুলে নিয়ে যায় জলদস্যুরা। অপহৃতরা শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ, রমজাননগর ও ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। ফিরে আসা জেলেরা জানান, কদমতলা ও কৈখালী স্টেশন থেকে বৈধ অনুমতিপত্র নিয়ে তারা কয়েকদিন আগে সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে যান। এ সময় বিভিন্ন খালে অভিযান চালিয়ে ২৮ থেকে ৩০ জনকে তুলে নেয় দস্যুরা। এর মধ্যে ২২ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে মারধরের পর মুক্তিপণ আনার শর্তে ছেড়ে দেয়া হলেও বাকিদের এখনো জিম্মি করে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, লোকালয়ের একেবারে কাছাকাছি এলাকা থেকেও জেলেদের তুলে নেয়া হচ্ছে। হরিনগর বাজার থেকে মাত্র ১০–১২ মিনিটের নৌপথ দূরত্বে থেকেও অপহরণের ঘটনা ঘটছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর তৎপরতার অভাবকে এ পরিস্থিতির জন্য দায়ী করছেন তারা। জিম্মিদের স্বজনরা জানান, এখনো পর্যন্ত মুক্তিপণের নির্দিষ্ট অঙ্ক জানানো হয়নি। তবে নেটওয়ার্কের আওতায় এলে দস্যুরা যোগাযোগ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় হরিনগর, কদমতলা, মরাগাং, চুনকুড়ি ও মথুরাপুর এলাকার জেলেদের মধ্যে চরম ভীতি ছড়িয়ে পড়েছে। সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মশিউর রহমান বলেন, জেলেদের অপহরণের বিষয়টি কোস্টগার্ডকে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে শ্যামনগর থানার ওসি খালেদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো ভুক্তভোগী পরিবার থানায় অভিযোগ করেনি। এদিকে বারবার অপহরণের ঘটনায় সুন্দরবনসংলগ্ন জনপদে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত যৌথ অভিযান চালিয়ে অপহৃতদের উদ্ধার ও দস্যুদের দমন করতে হবে।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)