কেশবপুর প্রতিনিধি : কেশবপুরে শরিকানা পুকুরের প্রায় ৫ লাখ টাকার মাছ লুট করাকে কেন্দ্র করে সজল হোসেন (২৩) নামে এক যুবককে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার ওই যুবকের বাবা উপজেলার মঙ্গলকোট গ্রামের জহুরুল ইসলাম ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। আহত সজল হোসেন বর্তমানে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মঙ্গলকোট গ্রামের দক্ষিণপাড়া এলাকার জহুরুল ইসলামের শরিকানা পুকুর থেকে সোমবারে প্রায় আনুমানিক ৫ লাখ টাকার সাদা মাছ লুট করে বিক্রি করে। তাদের কাছে মাছ লুটের কথা জানতে চাইলে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে ওই দিন বেলা সাড়ে ১১টায় মঙ্গলকোট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সামনে জহুরুল ইসলামের ছেলে সজল হোসেনের পথরোধ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। ওই সময় সজল হোসেন গালিগালাজের কারণ জিজ্ঞাসা করলে তাকে লোহার রড ও জিআই পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে ও তার সাথে থাকা চাচাতো বোন আলিফা খাতুনকেও (১৮) মারপিট করা হয়। আহত সজলকে উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ঘটনা উল্লেখ করে সজল হোসেনের বাবা জহুরুল ইসলাম থানায় মঙ্গলকোট দক্ষিণপাড়া এলাকার রোমান হোসেন (২৫), আবুল কালাম বিশ্বাস (৪৮), রিফাত হোসেন (২১), শফি শেখ (৪৬), মোসলেম উদ্দিন বিশ্বাস (৫২), মামুন হোসেন (২৮), সুমন হোসেন (২৫), মিজানুর রহমান (৪৮), সুফিয়া বেগম (৩৭) ও বিউটি বেগমসহ (৪০) অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালাম বিশ্বাস বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বানোয়াট ও মিথ্যা। তবে বাজারে শুনেছি উনার (জহুরুল) ছেলেকে (সজল) বাজারের একটা ঝামেলায় কে বা কারা মারপিট করেছে। তাছাড়া ওই পুকুর আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি।
এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইমুন হোসাইন বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। পুকুরের শরীকানাকে কেন্দ্র করে মারামারি হয়েছে। অভিযোগের তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।