নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের মণিরামপুর উপজেলার বাসিন্দা হারুনার রশিদের নিখোঁজের ১২ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো তার কোনো সন্ধান মেলেনি বলে অভিযোগ করেছে পরিবার। বুধবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে এক সংবাদ সম্মেলনে তার বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী এমরান আলী মাস্টার এ অভিযোগ করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত ২০ জুন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হারুনার রশিদ কেশবপুরে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। সন্ধ্যার পর ফিরে না আসায় পরদিন আত্মীয়স্বজনসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে ২১ জুন মণিরামপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়,জিডির পর পুলিশ মোবাইল ফোনের অবস্থান শনাক্ত করে জানতে পারে,হারুনার রশিদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সিম সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার জুইখালী কামারালী এলাকায় বন্ধ হয়ে যায়। পরদিন পুলিশ ও স্বজনরা ওই এলাকায় গিয়ে দীর্ঘ সময় অনুসন্ধান চালালেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। পরিবারের দাবি, তদন্তের অংশ হিসেবে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। পরে তদন্তের দায়িত্ব র্যাব-৬-এর কাছে দেয়া হয়েছে বলে পরিবারকে জানানো হয়। র্যাবের সদস্যরাও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে এমরান আলী বলেন, নিখোঁজ হারুনার রশিদের পরিবারে স্ত্রী, এক বিবাহিত কন্যা, সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত এক কন্যা এবং চার বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে। তিনি পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। তিনি দ্রুত হারুনার রশিদকে জীবিত উদ্ধার এবং ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন।