মনিরুল ইসলাম মনি, সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতের এমপি গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার মগবাজারে একটি হোটেলে এক তরুণীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় সংসদ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে সাতক্ষীরার শ্যামনগর। তাকে ধর্ষক আখ্যা দিয়ে শ্যামনগরের মাটিতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে শ্যামনগরের সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে বক্তারা এমন দাবি জানান। এ ঘটনার পর পরই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় মজলিসের সদস্য সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি কাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এদিকে- তরুণী কাণ্ডে এমপি কাজী নজরুলের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলা সদরের পৌরসদরের জেসি কমপ্লেক্স চত্বর থেকে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত শত শত নারী ও পুরুষের অংশগ্রহণে একটি মিছিল পৌর সদরের বিভিন্ন সড়ক পরিদ দক্ষিণ করে। বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা এ সময় হাতে ঝাড়ু ও জুতা নিয়ে নজরুল ইসলামের ছবিতে আঘাত করতে থাকে। এ সময় বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে জামাত এমপি নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীরা। শত শত নারী-পুরুষের মুখে একটাই স্লোগান ‘ধর্ষকের দুই গালে জুতা মারো তালে তালে। নজরুলের দুই গালে জুতা মারো তালে তালে। কর্মী থেকে সমর্থক সব শালারা ধর্ষক। হৈ হৈ রৈ রৈ জামায়াত-শিবির গেল কই। হৈ হৈ রৈ রৈ গাজী নজরুল গেল কই। লম্পটের ঠিকানা শ্যামনগরে হবে না। শ্যামনগরের মানুষ তাকে আর এমপি হিসাবে চাই না। আমাদের ভোট নিয়ে জামাত এমপি প্রতারণা’। এমন সব স্লোগানের এক পর্যায়ে শ্যামনগর উপজেলা সদর বিক্ষোভ দিছিলে মিছিলে উত্তাল হয়ে ওঠে। বিক্ষোভ মিছিল শেষে উপজেলা বিএনপি’র সাবেক আহবায়ক আলহাজ্ব সুলাইমান কবিরের সভাপতিত্বে উপজেলা প্রেসক্লাব চত্বরে আয়োজিত পথসভায় অংশগ্রহণ করেন বিক্ষুব্ধ জনতা। এসময় বক্তারা কাজী নজরুল ইসলামকে ধর্ষক আখ্যা দিয়ে একটা আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। একই সাথে অবাঞ্চিত ঘোষণা করার পাশাপাশি বক্তারা গাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় সংসদ থেকে বহিষ্কারের দাবি জানান। বক্তারা বলেন-১৩ তারিখে ঘটনাটি ঘটলেও গাজী নজরুল ইসলাম কৌশলে তা ধামাচাপা দিতে চাইছিল। কিন্তু তার ড্রাইভার দাবিকৃত টাকা না পেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওগুলো ভাইরাল করে দিলে কৌশলের অংশ হিসেবে শুরুতেই এআই প্রযুক্তির সৃষ্টি বলে দাবি করেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ফ্যাক্ট চেক প্রতিষ্ঠানগুলো ভিডিও চিত্রের সত্যতা নিশ্চিত করার পর কাজী নজরুল ইসলাম এবং তার সহযোগীরা ওই তরুণীকে বিয়ের নাটক সাজিয়েছে। পদে পদে জালিয়াতি এবং মিথ্যাচারের আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগে বক্তারা গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের মাধ্যমে শরীয়ত মোতাবেক পরিচালিত হওয়ার দাবি করা রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর আদর্শ প্রদর্শনের আহ্বান জানান। এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী অ্যাডভোকেট আশেক এলাহী মুন্না, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আবু সাঈদ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম দুলু, গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম, পদ্মপুকুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমজাদুল ইসলাম, উপজেলা মহিলাদলের সভাপতি নুরজাহান পারভীন ঝর্ণা প্রমুখ। প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন-একটা অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন রীতিমতো ধর্ষণের সমান অপরাধ। মহান জাতীয় সংসদের একজন প্রবীণ সদস্য হিসেবে নজরুল ইসলামের এ ঘটনা পবিত্র সংসদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছে। মহান জাতীয় সংসদের পবিত্রতা রক্ষা এবং শিশু সুরক্ষা আইনের যথাযথ প্রয়োগ প্রদর্শনের অংশ হিসেবে অবিলম্বে কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় সংসদ থেকে বহিষ্কারের পাশাপাশি আইনের আওতায় এনে ধর্ষণকাণ্ডের বিচার করতে হবে। বক্তারা আরো বলেন ১৭ জুন বিয়ের কথা বলে ২১ জুলাই বিকালে কাবিনের ঘটনা তার জালিয়াতি ও মিথ্যাচারকে প্রমাণ করে দিয়েছে। যেটি সাংবাদিক ও বিবাহ রেজিস্ট্রার বাকি বিল্লাহ’র অডিও রেকর্ডে বেরিয়ে এসেছে জাল-জালিয়াতির প্রকৃত ঘটনা। এমতাবস্থায় অবিলম্বে গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এছাড়া নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের মাধ্যমে নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে জামায়েত ইসলামীর অবস্থান স্পষ্ট করতে জামায়েত আমির ডাক্তার শফিকুর রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা। এদিকে মিছিলে অংশ নেয়া শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, ‘আমাদের কাছ থেকে ভোট নিয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চাই।’ সমাবেশে পদ্মপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আমজাদুল ইসালম বলেন, ‘দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মানুষের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর একের পর এক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। জনগণ পরিবর্তনের আশায় ভোট দিয়েছিল, কিন্তু আজ তারা প্রতারিত বোধ করছে। আমরা নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চাই।’ নাগরিক নেতা অধ্যক্ষ আবু সাইদ বলেন, ‘জনগণ যে প্রত্যাশা নিয়ে একজন জনপ্রতিনিধিকে নির্বাচিত করেছিল, সেই প্রত্যাশা ভেঙে গেছে। শ্যামনগরের মানুষের সম্মান কোনো ব্যক্তি বা দলের চেয়ে বড়। তাই প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।’ এদিকে, সমাবেশে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য ও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আজিজুর রহমান জানান, উক্ত ঘটনায় সাতক্ষীরা চার আসনের সংসদ সদস্য জামায়াতের কেন্দ্র কমিটির সূরা সদস্য সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্র কমিটির পক্ষ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেন্দ্র কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি আরো জানান- নৈতিকস্থখলন জনিত কারণে জামায়াত নেতা সংসদ সদস্য সাতক্ষীরা-৪ আসনের গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে । একই সাথে নির্বাচন কমিশনকে অবগতির করানোর ব্যাপারে অভিহিত করা হয়েছে বলে তিনি জানান। এদিকে এমপি নজরুলের সাথে ২০ জুলাই তরুনীর ভিডিও ভাইরালের পরের দিন ২১ জুলাই তরুণীর সঙ্গে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনা নিয়ে তার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি জানান-ওই তরুণীর সাথে তার বৈবাহিক সম্পর্ক। তবে কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ামকে নিয়ে নতুন একটি বিষয় সামনে এসেছে। সেটি হলো তাদের দুজনের বয়সের ব্যবধান। এমপি নজরুলের সঙ্গে ওই নারীর বয়সের পার্থক্য ৫৭ বছর। বিয়ের কাবিননামার তথ্য অনুযায়ী, জামায়াত এমপি গাজী নজরুল ইসলাম জন্ম ১৯৫১ সালের ২১ মে। আর তার কথিত স্ত্রীর জন্ম ২০০৮ সালের ২২ মে। হিসাব মতে তাদের বয়সের পার্থক্য ৫৭ বছর। দেশব্যাপী যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের একটি জীবনবৃত্তান্ত (বায়োডাটা) ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে ওই বায়োডাটায় উল্লেখ রয়েছে, মরিয়ম খাতুন ২০০৮ সালের ২২ মে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০২৬ সালে ঢাকা বোর্ডের অধীনে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। শিক্ষাগত যোগ্যতার বিবরণীর পাশাপাশি তার বৈবাহিক অবস্থার ঘরে স্পষ্ট লেখা রয়েছে-তিনি ‘অবিবাহিত’। এমপির সুপারিশ : ছড়িয়ে পড়া সেই বায়োডাটায় আরো দেখা যায়, গত ২২ জুন ২০২৬ তারিখে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম নিজে তাতে জোর সুপারিশ করে স্বাক্ষর করেছেন। এদিকে জামাত এমপি কাজী নজরুলের তরুণীর সাথে অন্তরঙ্গের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর কাবিন তৈরি করেন ম্যারেজ রেজিস্ট্রার মোঃ বাকি বিল্লাহ। তরুণীর সঙ্গে অন্তরঙ্গের ভিডিও দেশ ব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সংসদ সদস্য এই কাজে ব্যবহার করেন স্থানীয় ম্যারেজ রেজিষ্ট্রার মোঃ বাকি বিল্লাহকে। দু’জনের জম্মস্থান শ্যামনগরের গাবুরা ইউনিয়নে ও বসবাসস্থান একই গ্রামে হওয়া ছাড়াও উভয়ের পুর্ব পরিচয়ের সুযোগ গ্রহন করেন জামায়াত দলীয় এই এমপি। স্থানীয় গনমাধ্যম কর্মীদের সাথে আলাপকালে বিয়ে এবং কাবিনের বিষয়ে মুখ খুলেছেন তিনি। মোঃ বাকি বিল্লাহ জানান ২০ জুলাই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর এমপি তার সাথে যোগযোগ করেন। একপর্যায়ে ১৭ জুনের দিন তারিখ ঠিক রেখে একটি কাবিন তৈরীর পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে বিষয়টি দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি হলে ২১ জুলাই মঙ্গলবার এমপি এবং মরিয়ম সেখানে স্বাক্ষর করেন। এসময় তিনি নিজেকে (ম্যারেজ রেজিষ্ট্রার) বাঁচিয়ে দিতে সাংবাদিকদের বার বার অনুরোধ করেন। মোঃ বাকি বিল্লাহ আরও জানান একজন এমপির কথা না শুনলে পরবথীতে অনেক সমস্যা হতে পারে ভেবেই তিনি এমন জালিয়াতিতে বাধ্য হয়েছেন। এর সংক্রান্ত সাংবাদিকদের সাথে একটি কথোপকথনের অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে গত ২০ জুলাই রাতে জামাত এমপি নজরুলের তরুণীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ফাঁস, বিয়ে’ বিতর্ক, প্রথম স্ত্রী ও কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী বক্তব্য এবং বায়োডাটা ঘিরে নতুন মোড় নিতে থাকে। ফাঁস হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতের এমপি গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার মগবাজার একটি হোটেলে এক তরুণীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও। এখানে তিনি ওই তরুণীকে পাশে বসিয়ে দুই হাত দিয়ে মুখমণ্ডল ধরে চুম্বন করছেন। ভাইরাল ভিডিওটি নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় শুরু হয়। এই বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তাৎক্ষণিক ভাবে এমপি গাজী নজরুল তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বলে দাবি করেন। এবং প্রথম স্ত্রী ও কথিত ওই দ্বিতীয় স্ত্রীর পৃথক পৃথক ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন। সেখানে জামায়াত ইসলামের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে পাঠানো ২৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও বার্তায় গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম বলেন আমার স্বামীর সাথে মরিয়মের বিয়ে হয়েছে। এটা নিয়ে যারা কুৎসা রটাচ্ছে, আমি সেটার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ ধরনের অসত্য প্রচার থেকে বিরত না থাকলে আমি আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব। কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এক ভিডিওতে বলেন, গত ১৩ জুলাই এমপি সাহেবকে নিয়ে যে ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে আমাদের সামাজিকভাবে হেনস্তা করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। গত ১৭ জুন মঙ্গলবার আমার বড় মেয়ে মরিয়ম আক্তারের সাথে এমপি সাহেবের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় তার প্রথম স্ত্রীসহ আমরা উভয় পরিবারের সকলে উপস্থিত ছিলাম। কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম ভিডিওতে বলেন, আমি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী। আমাদের বিয়ে কোনো গোপন বা অনৈতিক বিষয় নয়। ২০২৬ সালের ১৭ জুন শ্যামনগরে আমার বাবার বাসায় উভয় পরিবারের সম্মতিতে আমাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। এ সময় আমার স্বামীর প্রথম স্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন।