Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

মাগুরায় পাটের ভালো ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

এখন সময়: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর , ২০২৬, ০৩:১৬:৪৪ পিএম

মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরা জেলার চার উপজেলায় এবার পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। পাটের এই বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখ হাসির ঝিলিক দেখা যাচ্ছে। অধিকাংশ কৃষকদের সাথে কথা বলে দেখা গেছে চলতি বছর চাহিদার তুলনায় পাটের আশানুরুপ ফলন হয়েছে । জেলায় আশি শতাংশ কৃষকের পাট কাটা শেষ হয়েছে। বর্তমানে কৃষকরা এ পার্ট খালি দিলে জাগ দিতে একটা ব্যস্ত সময় পাট করছেন। মাগুরায় পানিতে জাগ দেওয়া পাটের আঁশ ছাড়াতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক-কৃষানিরা। জেলার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার পাশে, পুকুরপাড়ে ও নদীর তীরে পাটের আঁশ ছাড়ানোর কাজে ব্যস্ত দেখা গেছে চাষিদের। একই সঙ্গে পাটখড়ি গোজগাজ করতেও ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নারী-পুরুষ শ্রমিকরা। মাগুরা সদর উপজেলার বেলনগর, কুঁচিয়ামোড়া, মহাম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পানিতে জাগ দেওয়া পাট তুলে আঁশ ছাড়ানোর কাজে ব্যস্ত কৃষকরা। এ কাজে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের অংশগ্রহণও বেড়েছে। মাগুরা সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সড়কের পাশে ও পুকুরপাড়ে পাটের আঁশ ছাড়ানো এবং পাটখড়ি গোজগাজ করার কাজে ব্যস্ত গৃহবধূ আমেনা খাতুন তিনি বলেন, আমরা এখানে পাটখড়ির জন্য কাজ করছি। দুই আঁটি পাটের আঁশ ছাড়ালে এক আঁটি খড়ি আমি পাব। দিনে ৫০ থেকে ৬০ আঁটি পাটের আঁশ ছাড়াতে পারলে অর্ধেকটা খড়ি মালিকের কাছ থেকে নিতে পারি। এতে মালিকও লাভবান হন, আমরাও লাভবান হই। মহাম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের নবগঙ্গা নদীর এলাকায় পাটের আঁশ ছাড়ানোর কাজে ব্যস্ত ছিলেন সাহেব মোল্লা (৫০), আলতাব হোসেন (৫২), ইসলাম বিশ্বাস (৩৮), মালেক (৫২) ও কালাম মোল্লাসহ (৫০) বেশ কয়েকজন শ্রমিক। তারা আঁটি চুক্তিতে পাটের আঁশ ছাড়ানোর কাজ করছেন। শ্রমিক ইসলাম বিশ্বাস বলেন, আমাদের শ্রমিক হিসেবে নিয়ে মালিক কাজ করাচ্ছেন। আঁটি হিসেবে চুক্তি করে আমরা পাটের আঁশ ছাড়ানোর কাজ করছি।পাটচাষি হারুন মৃধা বলেন, এ বছর পাটের ফলন ভালো হয়েছে। আশা করছি, পাটের দামও ভালো পাব। ভালো দাম পেলে বউ ছেলেমেয়ে নিয়ে জীবন যাপন করতে পারব। কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চলতি মৌসুমের শুরুতে পাটের দাম ভালো থাকায় তারা বেশ আশাবাদী হয়ে উঠেছিলেন। হান্নান হোসেন বলেন, এ বছর শুরুতে পাটের দাম ৪ হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত থাকায় কৃষকরা বেশ খুশি হয়েছিলেন। এভাবে দাম ভালো থাকলে ভবিষ্যতে কৃষকরা পাট চাষে আরও আগ্রহী হয়ে উঠবেন। কৃষকদের আশা, ফলনের পাশাপাশি বাজারে পাটের ভালো দাম পাওয়া গেলে উৎপাদন খরচ মিটিয়ে তারা লাভবান হবেন এবং আগামী মৌসুমে পাট চাষে আরও উৎসাহিত হবেন। মাগুরা অঞ্চলে এবার উচ্চফলনশীল জাতের পাটের চাষ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও পরিচর্যার কারণে ফলনও ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। মাগুরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. তাইজুল ইসলাম বলেন, এ বছর মাগুরায় পাটের ফলন ভালো হয়েছে। আশা করছি, কৃষকরা পাটের ন্যায্য দামও পাবেন।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)