সিরাজুল ইসলাম, কেশবপুর : কেশবপুর উপজেলার সদরের সাথে বিভিন্ন অঞ্চল, ইউনিয়ন ও গ্রাম্য রাস্তার খুব বেহাল অবস্থা। জনসাধারণের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে কেশবপুর ত্রিমোহীনি সড়ক, ভালুকঘর বাজার সড়ক, কলাগাছি চুকনগর বাজার সড়ক, কেশবপুর বকুলতলা বাজার (রাজগজ্ঞ) সড়ক, চিংড়া বাজার সড়ক, কেশবপুর ভান্ডারখোলা সড়ক, হিজলডাঙ্গা,বাওশলা, হাড়িয়াঘোপ, বগা মহাদেবপুর সড়ক, নতুনহাট, গড়ভাঙ্গা সড়ক, বাগডাঙ্গা, মনোহরনগর সড়ক, কেশবপুর ভেরচী বাজার সড়ক। বিশেষ করে চলতি বর্ষা মৌসুমে বেহাল এই সড়কে যানবাহন চলাচলের কারণে একেবারে চলাচলের অনুপযোগী হয় উঠেছে। তারপরেও থেমে নেই ভারীযান বাহন চলাচল। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছে ভ্যান শ্রমিকরা। বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের গ্রামীণ জনপদের রাস্তা সংষ্কার কাজে ব্যাপক অনিয়ম, লাগামহীন দূর্নিতির কারণে সংষ্কার করার পরেও তা আবারও নষ্ট হয়ে গেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ইউপি সদস্য বলেন গ্রামিণ সড়ক সংষ্কারের জন্য তাদের যে বরাদ্দ দেওয়া হয় তার কমিশন আর ভাগা দিতে দিতে হাতে আর কোনো টাকা থাকে না। সরেজমিনে দেখা গেছে, কেশবপুর উপজেলার বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের খোপদহি ও ফতেপুর গ্রামের ভেতর দিয়ে যাওয়া সড়ক এবং ভান্ডারখোলা বাবুর মোড় থেকে আরংপাড়া অভিমুখী সড়কের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ হয়ে পড়েছে। সড়কজুড়ে খানাখন্দ ও ভাঙাচোরা অবস্থার কারণে প্রতিদিন সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী ও যানবাহন চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বিশেষ করে বর্ষাকালে সড়কের অবস্থা আরও ভয়াবহ হয়ে পড়ে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় জনমনে ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ ও স্বাভাবিক চলাচলের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ বিষয়ে কেশবপুর আসনের এমপিসহ সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।