নিজস্ব প্রতিবেদক: বৃহত্তর যশোরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং যাত্রীদের বিমান যোগাযোগ আরও সহজ ও সময়সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যে ঢাকা-যশোর রুটে পুনরায় ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে সপ্তাহে তিন দিন দুটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করবে সংস্থাটি। মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় তথ্য যুক্ত করে এ-সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে যশোর-ঢাকা রুটে সপ্তাহে তিন দিন শনি, বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুটি করে মোট ছয়টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে ইউএস-বাংলা। এ রুটে ৭২ আসনের এটিআর ৭২-৬০০ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, শনি, বুধ ও বৃহস্পতিবার প্রতিদিন প্রথম ফ্লাইটটি সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে যাত্রা করে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে যশোরে অবতরণ করবে। একই উড়োজাহাজ সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে যশোর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। এ ছাড়া প্রতিদিন দ্বিতীয় ফ্লাইটটি বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা থেকে যাত্রা করে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে যশোরে পৌঁছাবে। পরে সন্ধ্যা ৬টায় যশোর থেকে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ঢাকা-যশোর রুটে ইউএস-বাংলার সর্বনিম্ন ওয়ান-ওয়ে ভাড়া ৫ হাজার ৭৪৯ টাকা ও রিটার্ন ভাড়া ১১ হাজার ৪৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লিখিত সব ভাড়ার সঙ্গে প্রযোজ্য ট্যাক্স ও সারচার্জ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ২০১৪ সালের ১৭ জুলাই ঢাকা-যশোর রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মধ্য দিয়ে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের অভ্যন্তরীণ বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে ঢাকার দ্রুত ও নিরাপদ আকাশ যোগাযোগ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে এয়ারলাইনসটি। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের জনসংযোগ কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম জানান, বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের মানুষের বিমান যোগাযোগের চাহিদা, ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা, পর্যটন ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে এ রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের চাহিদা ও বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভবিষ্যতে এ রুটে ফ্লাইটসংখ্যা বাড়ানোর বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।