Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

লোহাগড়ায় ওষুধের দোকানের আড়ালে অনলাইনে জুয়া ও ইলিশ প্রতারণা, দুই ভাইসহ গ্রেফতার ৯

এখন সময়: বুধবার, ১৪ অক্টোবর , ২০২৬, ১২:২৬:৪১ পিএম
লোহাগড়ায় ওষুধের দোকানের আড়ালে অনলাইনে জুয়া  ও ইলিশ প্রতারণা, দুই ভাইসহ গ্রেফতার ৯

ফরহাদ খান, নড়াইল : নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লাহুড়িয়া ইউনিয়নের ঝামারঘোপ এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনলাইনে জুয়া ও ইলিশ মাছ বিক্রির প্রতারণার অভিযোগে দুই ভাইসহ নয়জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার। তিনি জানান, সারাদেশে কিছু অসাধু ব্যক্তি অনলাইনে ইলিশ মাছ বিক্রির নামে প্রতারণা ও জুয়া কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এর মধ্যে নড়াইল জেলায়ও কয়েকজন ‘ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর’, ‘নাহিদ ওয়ার্ড’, ‘কলম প্যাকেজিং’, ‘কাকলী ফার্নিচার’, ‘ইলিশ ভাইয়া চাঁদপুর’, ‘অনলাইন বিডি’ নামে ফেসবুকে লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে অনেক নিরীহ ও সরলমনা মানুষদের প্রতারিত করে যাচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে অভিযানের অংশ হিসেবে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) নড়াইল জেলা ডিবি ও থানা পুলিশ নড়াইলের লোহাগড়ার ঝামারঘোপ বাজারস্থ মা ফার্মেসিতে অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়াড়ি ও অনলাইন প্রতারকদের মূলহোতা মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলার কলাগাছি গ্রামের আজাদ মোল্যার ছেলে ফরহাদ হোসেন (২৬) ও তার ভাই ফরিদ হোসেনকে (২৮) গ্রেফতার করে। ফরহাদ ওষুধ দোকানির আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে জুয়া ও ফেসবুকে ইলিশ মাছ বিক্রির লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। এছাড়া ফরহাদ হোসেনের অন্যতম সহযোগী নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লাহুড়িয়া ডহরপাড়ার রবিউল ইসলামের ছেলে সজীব হোসেন (৩০), একই উপজেলার গোবিন্দপাড়ার প্রহ্লাদ মজুমদারের ছেলে প্রসেনজিৎ মজুমদার (৩০), চরঝামারঘোপ গ্রামের শাহাদাৎ মোল্যার ছেলে জমির মোল্যা (৪৫), কালিনগর গ্রামের মিন্টু মোল্যার ছেলে লাহু মিনহাজ (২৪), ওই গ্রামের (কালিনগর) বীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাসের ছেলে বিবেক বিশ্বাস (২৫), মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলার কলাগাছি গ্রামের মহামিন মোল্যার ছেলে আলাউদ্দিন মোল্যা (২৮) এবং ওই গ্রামের (কলাগাছি) সাখাওয়াত মোল্যার ছেলে নাজমুল মোল্যাকে (২৬) গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার আরও জানান, নয়জনকে গ্রেফতারপূর্বক তাদের হেফাজত থেকে অনলাইন জুয়া ও প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত মোবাইল ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া অনলাইন জুয়া ও প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন অ্যাপসের ব্যবহার ও ই-ট্রানজেকশনের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় লোহাগড়া থানায় জুয়া প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। যার সর্বোচ্চ সাজা সাত বছর কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ৫ কোটি টাকা অর্থদণ্ড ছাড়াও উভয়দণ্ডে শাস্তি হতে পারে। পুলিশ সুপার অনলাইনে মুখরোচক ও লোভনীয় বিজ্ঞাপন দেখে কেনাকাটা না করার জন্য সবার প্রতি আহবান জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন-অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর-ই-আলম সিদ্দিকী ও মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওসি মোঃ আলাউদ্দিনসহ পুলিশ কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)