নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরে আলাদা চার মামলায় ৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছে একদিনের বিচারিক আদালত। সোমবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল প্রতিবেদনের উপর শুনানি ও আসামিরা দোষ স্বীকার করায় তিনি এ সাজা দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলো, শহরের বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক মোড় এলাকার জনৈক উৎপলের বাড়ির ভাড়াটিয়া মৃত হাশেম আলীর ছেলে ইসরাফিল, শহরতরীল বিরামপুর কালীতলা এলাকার সোহরাব হোসেনের ছেলে সোহেল হোসেন বাবু, একই এলাকার জাফর শেখের ছেলে মোহন শেখ ও মৃত গোলাম সাদেক খানের ছেলে মোহাম্মদ আলী ও পুরাতনকসবা ঢাকা রোড এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে ইয়াছিন আরাফাত পলাশ। মামলার অভিযোগে জানা গেছে, সোমবার সকালে শহরের মাইকপট্টির ল্যাব স্ক্যান মেডিকেল সার্ভিসের ভবনের নিচতলার জানালার থাইগ্লাস চুরির সময় জনগণ ইসরাফিল হোসেনকে আটক ও পুলিশে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় করা মামলার প্রতিবেদনসহ ইসরাফিলকে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। প্রতিবেদনের শুনানি ও আসামি দোষ স্বীকার করায় বিচারক তাকে ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড, ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। রোবাবর রাতে কোতয়ালি থানা পুলিশ ‘খ’ সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয় জেলরোড থেকে সোহেল হোসেন বাবুকে আটক ও তার কাছ থেকে ২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ মামলার প্রতিবেদনসহ সোমবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আটক সোহেল হোসেন বাবু দোষস্বীকার ও প্রতিবেদনের উপর শুনানি শেষে বিচারক তাকে ২ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড, ২হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। রোববার পুলিশ শহরের চৌরাস্তা সোনালী ব্যাংকের পিছনের ফাঁকা জায়গা থেকে ইয়াসিন আরাফাত পলাশকে আটক করে। এ সময় কার কাছ থেকে ১ পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ মামলার প্রতিবেদনসহ থানা পুলিশ তাকে আদালতে সোপর্দ করে। আসামি পলাশ অপরাধের দোষ স্বীকার ও প্রতিবেদনের উপর শুনানি শেষে বিচারক তাকে ১ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড, ১ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। এছাড়া, গত ৩০ সেপ্টেম্বর পুলিশ বিরামপুর এলাকা থেকে মোহন শেখ ও মোহাম্মদ আলীকে আটক করে। এ সময় তাদের স্বীকারোক্তিতে বাড়িতে রাইস কুকারের মধ্যে লুকিয়ে রাখা তিনটি সিসি ক্যামেরা উদ্ধার করা হয়। আসামিরা বিরামপুর কালীতলা এলাকার আরিফুর রহমান বাদলের বাড়ি থেকে তারা এ সিসি ক্যামেরা চুরি করেছিল স্বীকার করে। এ ঘটনায় করা মামলার প্রতিবেদনসহ তাদের আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। সোমবার এ মামলার প্রতিবেদনের উপর শুনানি ও আসামিরা দোষস্বীকার করায় বিচারক তাদের প্রত্যেকেকে ৩ মাস করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত সকলে কারাগারে আটক আছে।