নিজস্ব প্রতিবেদক : ধারের ৩ লাখ টাকা আত্মসাত ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চারজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেন বৃষ্টি রানী সরকার নামে এক নারী। বিষয়টি তদন্ত করছে উপশহর ফাঁড়ি পুলিশ। দীর্ঘদিন হলেও তদন্তের কি অবস্থা তা জানা যায়নি। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই অলোক বদলি হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বৃষ্টি রানী সরকার যশোর শহরের উপশহর এলাকার ই-ব্লকের বাসিন্দা। একই এলাকার বাসিন্দা রাফিউল ইসলাম শুভ ও তার স্ত্রী শারমিন খানম বিভিন্ন সময় জরুরি প্রয়োজনের কথা বলে তার কাছ থেকে টাকা ধার নিতেন এবং পরিশোধও করতেন। এ কারণে তাদের প্রতি তার বিশ্বাস তৈরি হয়। ২০২৫ সালের ১১ আগস্ট রাফিউল ইসলাম শুভ, শারমিন খানম ও জাহানারা বেগম তাকে জানান- আল-আমিনকে বিদেশে পাঠানোর জন্য টাকার প্রয়োজন। তাদের কথায় বিশ্বাস করে বৃষ্টি রানী আশা সমিতি থেকে ৭০ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন উৎস থেকে আরও ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে মোট ৩ লাখ টাকা ধার দেন। এক মাসের মধ্যে পুরো টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তারা। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি। টাকা চাইলে অভিযুক্তরা বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। ২০২৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর বৃষ্টি রানী জানতে পারেন, রাফিউল ইসলাম শুভ ও তার স্ত্রী শারমিন খানম অপর দুই অভিযুক্তের কাছে চলে গেছেন। পরে তাদের বাড়িতে গিয়ে টাকা চাইলে আবারও সময় নেওয়া হয়। ২০২৬ সালের ১০ মার্চ তাকে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার জোতকুরা গ্রামে ডেকে নেওয়া হলেও টাকা ফেরত দেননি তারা। গত ২০ মে মুঠোফোনে টাকা চাইলে বাকবিতন্ডার এক একপর্যায়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় রাফিউল ইসলাম শুভ, শারমিন খানম, আল-আমিন ও জাহানারা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে টাকা উদ্ধারের পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন বৃষ্টি রানী সরকার।