কেশবপুর প্রাইমারি স্কুলে ৫১ শিক্ষকের পদ শূন্য

এখন সময়: বুধবার, ৭ ডিসেম্বর , ২০২২ ১৭:২৩:০৪ pm

সিরাজুল ইসলাম, কেশবপুর : কেশবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ ৫১ শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় শ্রেণিকক্ষে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

কেশবপুর উপজেলা শিক্ষা অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, কেশবপুর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১৫৮ টি। বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী রয়েছে ২২ হাজার ৮৫৩ এবং শিক্ষক রয়েছে ৯৬৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ শিক্ষক ৩৯৪ ও মহিলা শিক্ষিকা ৫১৯। এর মধ্যে শিশু শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ৩ হাজার ৪৪৬, ২য় শ্রেণিতে ৩ হাজার ৯০৪, ৩য় শ্রেণিতে ৩ হাজার ৭১৫, ৪র্থ শ্রেণিতে ৩ হাজার ৮৩১ ও ৫ম শ্রেণিতে ৩ হাজার ৭০৫ ।

কেশবপুর উপজেলার মধ্যে কেশবপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাতবাড়িয়া, বরণডালি, হাবাসপোল, মধ্যকুলসহ বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫শ’ এর অধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। এই সমস্ত বিদ্যালয় সমুহে শিক্ষার্থীর আনুপাতিক হারে শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় শ্রেণি কক্ষে নিয়মিত পাঠদান দারুণ ভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

সুত্র আরো জানান, উপজেলার লালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাশিমপুর পূর্ব, কাবিলপুর, বরণডালি আদর্শ, ময়নাপুর, গোবিন্দপুর, রামকৃষ্ণপুর, মাগুরখালি, সন্যাসগাছা ও ভালুকঘর নিন্ম-মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ আরো ৪১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের পদ শুন্য রয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন দৈনিক স্পন্দনকে বলেন, কেশবপুর উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রধান শিক্ষকসহ অনেক শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। যা শিক্ষা কমিটির রেজুলেশনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

কেশবপুর উপজেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষাক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও আলতাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল হুদা বাবু বলেন, কেশবপুর উপজেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সমুহের মধ্যে প্রধান শিক্ষকসহ ৫১ শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন শূন্য রয়েছে। যার কারণে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অথচ সরকার উপজেলার ৮৭ রেজিস্ট্রার প্রাথমিক বিদ্যালয় যা সরকারি করা হয়েছে যেখানে উল্লেখযোগ্য হারে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম থাকার পরেও ওই সমস্ত বিদ্যালয়সমুহে আরো একজন করে শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করেছে। এই শিক্ষক গুলো যদি অধিক শিক্ষার্থী রয়েছে এমন বিদ্যালয় দেয়া হতো তা হলে বেশি ভালো হতো।