স্বপ্ন বুননে ওরা

এখন সময়: বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারি , ২০২৩ ০৭:৪১:২১ am

মিরাজুল কবীর টিটো: এবারের এসএসসিতে ভালো ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সবাই উচ্চ শিক্ষা শেষে নিজেদেরকে দেশের সেবায় নিয়োজিত করতে চায়। তাদের কেউ কেউ ভবিষ্যতে চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা হয়ে মানুষের সেবা করার মনোভাবের কথা জানিয়েছে। ফলাফল হাতে পাবার পর তারা তাদের এমন মনোভাবের কথা জানায়। প্রতিবেদনে বিস্তারিত-

মাহজাবিন আহসান অপ্সরা চিকিৎক হতে চায়

এবছর এসএসসি পরীক্ষায় মাহজাবিন আহসান অপ্সরা জিপিএ-৫ পেয়েছে। যশোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান শাখা থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সে এই সাফল্য অর্জন করেছে। তার বাবা আহসান হাবীব পারভেজ যশোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক ও মাতা সুরাইয়া জামান সুমি গৃহিনী। অপ্সরা ভবিষ্যতে চিকিৎসক হতে চায়।

সাদিয়া মায়িশা ডাক্তার হতে চায়

সাদিয়া মায়িশা এবছর এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। যশোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান শাখায় পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সে এই সাফল্য অর্জন করেছে। তার বাবা উপশহর সি-ব্লকের বাসিন্দা মিজানুর রহমান ও মাতা অ্যাডভোকেট রুমানা আক্তার। সাদিয়া মায়িশা ভবিষ্যতে ডাক্তার হতে চায়।

সুরাইয়া রউফ ডাক্তার হতে চায়

এবছর এসএসসি পরীক্ষায় সুরাইয়া রউফ জিপিএ-৫ পেয়েছে। যশোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান শাখায় পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সে এই সাফল্য অর্জন করেছে। তার বাবা আব্দুর রউফ ও মাতা আমেনা পারভীন। সুরাইয়া রউফ ভবিষ্যতে ডাক্তার হতে চায়।

রাগীব নুর প্রতীক ভালো মানুষ হতে চায়

রাগীব নুর প্রতীক এবছর এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। যশোর জিলা স্কুল থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সে এই সাফল্য অর্জন করেছে। তার বাবা মহব্বত আলী জীবন শিক্ষক ও মাতা তাজমুন্নাহার নাজনীন রুপা গৃহিনী। রাগীব নুর প্রতীক ভবিষ্যতে একজন ভালো মানুষ হতে চায়। তবে পেশাগত দিকে তার ইচ্ছা কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার।

সামিন ইয়াসির প্রীতম ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়

এবছর এসএসসি পরীক্ষায় সামিন ইয়াসির প্রীতম জিপিএ-৫ পেয়েছে। যশোর জিলা স্কুল থেকে বিজ্ঞান শাখায় পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সে এই সাফল্য অর্জন করেছে। তার মা যশোর জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি। সামিন ইয়াসির প্রীতম ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়। জেএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায় সে বৃত্তি পেয়েছিলো।

সুমাইয়া রউফ ডাক্তার হতে চায়

এসএসসি পরীক্ষায় সুমাইয়া রউফ জিপিএ-৫ পেয়েছে। যশোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান শাখায় পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সে এই সাফল্য অর্জন করেছে। তার বাবা আব্দুর রউফ ও মাতা আমেনা পারভীন। ভবিষ্যতে সে ডাক্তার হতে চায়।

সাবিকুন নাহার ভালো মানুষ হতে চায়

সাবিকুন নাহার এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। এমএসটিপি গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ থেকে পরীক্ষায় মানবিক শাখায় অংশ নিয়ে এ সাফল্য অর্জন করেছে। তার বাবা মাফিকুল ইসলাম ইন্সুরেন্স কর্মী ও মাতা সালমা ইসলাম গৃহিনী। ভবিষ্যতে সে ভাল মানুষ হতে চায়।

রুপা বিশ^াস ডাক্তার হতে চায়

এসএসসি পরীক্ষায় রুপা বিশ^াস জিপিএ-৫ পেয়েছে। এমএসটিপি গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ থেকে বিজ্ঞান শাখায় পরীক্ষায় অংশ নিয়ে এ সাফল্য অর্জন করেছে সে। তার বাবা দিলীপ বিশ^াস ও মাতা শিল্পী বিশ^াস। ভবিষ্যতে সে ডাক্তার হতে চায়।

শিল্পী রানী পাল ম্যাজিস্ট্রেট হতে চায়

শিল্পী রানী পাল এবছর এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। এমএসটিপি গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ থেকে পরীক্ষায় মানবিক শাখায় অংশ নিয়ে সে এ  সাফল্য অর্জন করেছে। তার বাবা কার্ত্তিক চন্দ্রপাল ব্যবসায়ী ও মাতা রিনা রানী পাল গৃহিনী। ভবিষ্যতে সে ম্যাজিস্ট্রেট হতে চায়।

আসিমতা আক্তার ডাক্তার হতে চায়

এবছর এসএসসি পরীক্ষায় আসমিতা আক্তার ¯œহা জিপিএ-৫ পেয়েছে। যশোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান শাখায় পরীক্ষায় অংশ নিয়ে এ সাফল্য অর্জন করেছে। তার বাবা আসাদুজ্জামান নান্নু ব্যবসায়ী ও মাতার রুবিনা সুলতানা। ভবিষ্যতে সে ডাক্তার হতে চায়।

ফারজানা ফেরদৌসি প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা হতে চায়

এবছর এসএসসি পরীক্ষায় ফারজানা ফেরদৌসি জিপিএ-৫ পেয়েছে। এমএসটিপি গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় সে এই সাফল্য অর্জন করেছে। তার বাবা ফারুক হোসেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও মাতা চন্দা আক্তার একজন গৃহিণী।

ফারজানা ফেরদৌসি উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা হতে আগ্রহী। সে ৫ম ও ৮ম শ্রেণিতে জিপিএ-৫ পেয়েছিলো।

আকাশ হোসেন ব্যাংকার হতে চায়

যশোর সদরের পুলের হাট বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে আকাশ হোসেন জিপিএ-৫ পেয়ে উর্ত্তীণ হয়েছে। তার বাবা আকরাম হোসেন ও মা হালিমা বেগম ছেলের এই সাফল্যের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

সিলভিয়া খান শৈলী ডাক্তার হতে চায়

সিলভিয়া খান শৈলী এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। যশোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান শাখায় পরীক্ষায় অংশ নিয়ে এ সাফল্য অর্জন করেছে। তার বাবা মিউনিসিপ্যাল প্রিপারেটরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সবুর খান ও শামিমা আক্তার, গৃহিনী। ভবিষ্যতে সে ডাক্তার হতে চায়। সেইসাথে ভালো মানুষ হয়ে দেশের সেবা করতে চায়।