বাজারে গ্রীষ্মকালিন সবজি, দাম চড়া

এখন সময়: মঙ্গলবার, ২১ মে , ২০২৪, ০৪:৪১:৪৭ এম

মুর্শিদুল আজিম হিরু : যশোরের বাজারে গ্রীষ্মকালিন সবজি উঠতে শুরু করেছে। দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। নতুন রসুন আসলেও দাম অনেক বেশি। অপরিবর্তিত আছে চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, মরিচ ও ভোজ্য তেলের দাম। বৃহস্পতিবার শহরের বড় বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। 

বাজারে শীতকালিন সবজির আমদানি কমে গেছে। গ্রীষ্মকালিন সবজি আসতে শুরু করেছে। নতুন সবজির সরবরাহ কম, ক্রেতাদের চাহিদা বেশি তাই দামও অনেক বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজি পটল বিক্রি হয় ৮০ টাকা। ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় উচ্ছে। প্রতি কেজি ঝিঙে বিক্রি হয় ৮০ টাকা কেজি। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কুশি। প্রতি কেজি কুমড়া বিক্রি হয় ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি। ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধেঢ়স। প্রতি কেজি কচুর লতি বিক্রি হয় ৮০ টাকা। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ডাটা। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয় ৫০ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় মেটে আলু। প্রতি কেজি ফুল কপি বিক্রি হয় ৩০ টাকা । ১৫ টাকা পিট বিক্রি হয় বাধা কপি। প্রতি কেজি শিম বিক্রি হয় ৩০। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পালংশাক ও মুলা। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় টমেটো। প্রতি পিচ লাউ বিক্রি হয় ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বরবটি। প্রতি কেজি পেঁয়াজের কালি বিক্রি হয় ৩০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ব্রুকলি। প্রতি কেজি কলা বিক্রি হয় ৩০ টাকা কেজি।

দাম বেড়েছে কাচা মরিচ ও রসুনের। অপরিবর্তিত আছে আলু ও পেঁয়াজের দাম। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয় ১৮ টাকা ২০ টাকা। ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় নতুন রসুন। প্রতি কেজি পুরাতন রসুন বিক্রি হয় ১শ’৫০ টাকা থেকে ১শ’৬০ টাকা। ২৮ টাকা থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পেঁয়াজ। প্রতি কেজি কাচা মরিচ বিক্রি হয় ১৩০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা। 

বাজারে সরকার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে সয়াবিন তেল। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন বিক্রি হয় ১শ’৮৭ টাকা। ১শ’৮৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় খোলা সয়াবিন তেল।  ১শ’৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় সুপার পাম তেল। প্রতি কেজি পাম তেল বিক্রি হয় ১শ’৩০ টাকা।

বাজারে চালের দাম আগের মত আছে। প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হয় ৪৪ টাকা থেকে ৪৬ টাকা। ৫৬ টাকা থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বিআর-২৮ চাল। প্রতি কেজি কাজললতা চাল বিক্রি হয় ৫৬ টাকা থেকে ৬০ টাকা। ৪৮ টাকা থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বিআর-৪৯ চাল। প্রতি কেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হয় ৫৮ টাকা থেকে ৬৮  টাকা।  ৪৮ টাকা থেকে ৫২ টাকা কেজি বিক্রি হয় বিআর-১০ চাল বিক্রি ।

বাজারে ডালের দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হয় ১শ’৪০ টাকা। ১শ’ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত মুসুর ডাল। প্রতি কেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৯০ টাকা। ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। প্রতি কেজি মুগের ডাল বিক্রি হয় ১শ’ টাকা থেকে ১শ’৩০ টাকা। ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কলাইয়ের ডাল।