যশোরে কাঁচা মরিচে ঝাঝ, কেজি ২০০

এখন সময়: মঙ্গলবার, ২১ মে , ২০২৪, ০৩:০৯:০৬ এম

 

মুর্শিদুল আজিম হিরু : আষাঢ়ের বৃষ্টি নামতে না নামতে বাজারে কাঁচা মরিচের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। একদিনের ব্যবধানে এ পণ্যটির দাম কেজিতে ৮০ টাকা বেড়ে ২০০ টাকা হয়েছে। এরমধ্যে ভোজ্য তেলের দাম কেজিতে কমেছে ১০ টাকা। চিনির দাম আগের মত আছে, আরও ২০ টাকা কেজিতে কমেছে পেঁয়াজের দাম।  উর্ধ্বদামে অপরিবর্তিত আছে চাল, ডাল, আলুসহ অন্যান্য পণ্য। বৃহস্পতিবার শহরের বড় বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

এক সপ্তাহ পর দেখা মিললো আষাঢ়ের বৃষ্টির। বৃষ্টির ফোঁটা পড়তে না পড়তে বাজারে দাম বেড়ে গেছে কাঁচা মরিচের। এক দিনের ব্যবধানে কাচা মরিচের দাম কেজিতে বেড়ে গেছে ৮০ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় কেজিতে দাম কমেছে আরও ২০ টাকা। নি¤œমুখি দেশি পেঁয়াজের দাম।

প্রতি কেজি আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৩০ টাকা । ৬৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হয় দেশি পেঁয়াজ। প্রতি কেজি রসুন বিক্রি হয় ১০০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা কেজি। ১৬০ টাকা থেকে ১৮০ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত রসুন। প্রতি কেজি কাচা মরিচ বিক্রি হয় ২০০ টাকা । ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় আলু।

বাজারে সবজির দাম কিছুটা ঊর্ধ্বমুখি। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয় ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা। ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হয় টমেটো। প্রতি কেজি উচ্ছে বিক্রি হয় ৬০ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বরবটি। ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় সজনে। প্রতি কেজি পটল বিক্রি হয় ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কুমড়া। প্রতি কেজি ঝিঙে ও কুশি বিক্রি হয় ৩০ টাকা কেজি। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধেড়স। প্রতি কেজি পুইশাক বিক্রি হয় ২৫ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কলা। ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুর লতি। প্রতি কেজি কচুর মুখি বিক্রি হয় ৭০ টাকা কেজি। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পেঁপে। 

বাজারে চিনির সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। ঊর্ধ্বদামে অপরিবর্তিত আছে এ পণ্যের দাম। প্রতি কেজি খোলা চিনি বিক্রি হয় ১৩০ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা। ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় প্যাকেটজাত চিনি।

বাজারে ভোজ্য তেলের দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ১৯০ টাকা। ১৮০ টাকা থেকে কেজি বিক্রি হয় খোলা সয়াবিন তেল। প্রতি কেজি সুপার পাম তেল বিক্রি ১৪৫ টাকা থেকে ১৫০ টাকা। ১৪০ টাকা থেকে ১৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় পাম তেল।

বাজারে চালে দাম আগের মত আছে। প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হয় ৪৫ টাকা থেকে ৪৬ টাকা। ৫০ টাকা থেকে ৫২ টাকা কেজি বিক্রি হয় বিআর-২৮ চাল। প্রতি কেজি বিআর ৪৯-চাল বিক্রি হয় ৫০ টাকা থেকে ৫২ টাকা। ৪৮ টাকা থেকে ৫২ টাকা কেজি বিক্রি হয় বিআর-১০ চাল বিক্রি । প্রতি কেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হয় ৫২ টাকা থেকে ৫৬  টাকা। ৬৬ টাকা থেকে ৬৮ টাকা কেজি বিক্রি হয় বাংলামতি চাল।

বাজারে মাছ মাংসের দাম কমেনি। প্রতি কেজি বড় ইলিশ মাছ বিক্রি হয় ১২শ টাক থেকে ১৫ শ টাকা কেজি। সাড়ে ৭শ টাকা থেকে ৮শ টাকা কেজি বিক্রি হয় মাঝারি সাইজের ইলিশ মাছ। প্রতি কেজি জাটকা ইলিশ মাছ বিক্রি হয় সাড়ে ৩শ টাকা থেকে সাড়ে ৪শ২০ টাকা কেজি। ১৬০ টাকা থেকে ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হয় তেলাপিয়া মাছ। প্রতি কেজি রুই-কাতলা মাছ বিক্রি হয় ২২০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা কেজি। ২০০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা কেজি বিক্রি মৃগেল মাছ। প্রতি কেজি চিলবার্কাপ মাছ বিক্রি হয় ১৪০ টাকা থেকে ১৮০ টাকা কেজি। ২৮০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হয় চাষের শিং মাছ। প্রতি কেজি কই মাছ বিক্রি হয় ১৮০ টাকা থেকে ২২০ টাকা। প্রতি কেজি পাঙ্গশ মাছ বিক্রি ১৭০ টাকা থেকে ২০০ টাকা।

প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগী বিক্রি হয় ১৮৫ টাকা থেকে ১৯০ টাকা। ২৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় সোনালী, লেয়ার ও কক মুরগী। ৫শ টাকা কেজি বিক্রি হয় দেশি মুরগী। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হয় ৭শ টাকা থেকে সাড়ে ৭শ। ১০০০ টাকা থেকে সাড়ে ১১০০ টাকা কেজি ছাগলের মাংসের দাম।

বাজারে ডালের দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হয় ১শ৪০ টাকা। ১শ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত মুসুর ডাল। প্রতি কেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৯০ টাকা। ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। প্রতি কেজি মুগের ডাল বিক্রি হয় ১শ টাকা থেকে ১শ৩০ টাকা। ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কলাইয়ের ডাল।