ইলিশ ধরা শুরু হলেও বাজারে আসেনি, দাম চড়া

এখন সময়: শুক্রবার, ২১ জুন , ২০২৪, ১০:২৯:৩৩ পিএম

মুর্শিদুল আজিম হিরু : যশোরের বাজারে সবজির দাম কমেছে। ১০ টাকা থেকে ১৫ টাকা কেজিতে কমেছে । ইলিশ মাছ ধরা শুরু হলেও বাজারে তেমন একটা না আসায় দাম অনেক চড়া। অন্যান্য মাছের দামও অনেক বেশি। উর্ধ্বদামে অপরিবর্তিত আছে চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ-রসুন, মরিচ, ভোজ্য তেলসহ অন্যান্য পণ্য। বৃহস্পতিবার শহরের বড় বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
বাজারে কাঙ্খিত ইলিশ নেই। নিষেধজ্ঞা উঠে যাওয়ায় জেলেরা ইলিশ মাছ ধরতে শুরু করেছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত বাজারে এসে পৌছায়নি। কয়েক দিনের মধ্যে বাজারের প্রচুর ইলিশ পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ইলিশের মৌসুমে বাজারের ইলিশ মাছ না থাকায় অন্যান্য মাছের দাম বেশ চড়া। প্রতি কেজি জাটকা ইলিশ মাছ বিক্রি হয় ৪৬০ টাকা থেকে সাড়ে ৫শ’ টাকা কেজি।  প্রতি কেজি রুই-কাতলা মাছ বিক্রি হয় ২২০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা কেজি। ২০০ টাকা থেকে ২৮০ টাকা কেজি বিক্রি মৃগেল মাছ। প্রতি কেজি চিলবর্কাপ মাছ বিক্রি হয় ১৬০ টাকা থেকে ২২০ টাকা কেজি। ২৮০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হয় শিং মাছ। প্রতি কেজি কই মাছ বিক্রি হয় ১৮০ টাকা থেকে ২২০ টাকা। প্রতি কেজি পাঙ্গাশ মাছ বিক্রি ১৭০ টাকা থেকে ২০০ টাকা। প্রতি কেজি তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হয় ১৮০ টাকা থেকে ২২০ টাকা কেজি। সাড়ে ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পাবদা মাছ।
বাজারে দাম কমেছে সবজির। গত কয়েক দিনের তুলনায় সবজির সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয় ৫০ টাকা। ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় টমেটো। প্রতি কেজি উচ্ছে বিক্রি হয় ৬০ টাকা ৮০ টাকা। ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বরবটি। ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ওল। প্রতি কেজি পটল বিক্রি হয় ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কুমড়া। প্রতি কেজি ঝিঙে ও কুশি বিক্রি হয় ৩০ টাকা কেজি। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধেড়স। প্রতি কেজি পুই শাক বিক্রি হয় ২০ টাকা থেকে ২৫  টাকা। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কলা। ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুর লতি। প্রতি কেজি কচুর মুখি বিক্রি হয় ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা কেজি। ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় পেঁপে। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কাঁকরোল।
বাজারে কাচা মরিচের দাম আরও কমেছে। পেঁয়াজ, রসুন আলুর দাম আগের মত আছে।  প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হয় ১৬০ টাকা কেজি। ২২০ টাক কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত রসুন। প্রতি কেজি দেশি রসুন বিক্রি হয় ১৪০ টাকা থেকে ১৮০ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় দেশি পেঁয়াজ। প্রতি কেজি আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি। ৩৮ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় প্রতি কেজি আলু।
সরকার নির্ধারিত দামে পাওনা যাচ্ছে ভোজ্য তেল। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ১৮০ টাকা। ১৭৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় খোলা সয়াবিন তেল। প্রতি কেজি সুপার পাম তেল বিক্রি ১৪০ টাকা । ১৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় পাম তেল।
বাজারে ঊর্ধ্বদামে অপরিবর্তিত আছে চাল। প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হয় ৪৮ টাকা থেকে ৫০ টাকা। ৫০ টাকা থেকে ৫২ টাকা কেজি বিক্রি হয় বিআর-২৮ চাল। প্রতি কেজি বিআর ৪৯-চাল বিক্রি হয় ৫০ টাকা থেকে ৫২ টাকা। ৪৮ টাকা থেকে ৫২ টাকা কেজি বিক্রি হয় বিআর-১০ চাল বিক্রি । প্রতি কেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হয় ৫৪ টাকা থেকে ৫৬  টাকা। ৬৬ টাকা থেকে ৬৮ টাকা কেজি বিক্রি হয় বাংলামতি চাল।
বাজারে ডালের দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হয় ১শ’৩০ টাকা। ১শ’ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত মুসুর ডাল। প্রতি কেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৯০ টাকা। ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। প্রতি কেজি মুগের ডাল বিক্রি হয় ১শ’ টাকা থেকে ১শ’৩০ টাকা। ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কলাইয়ের ডাল।