ইলিশের সরবরাহ বাড়লেও দাম কমছে না, পেঁয়াজ-রসুনে বাড়তি

এখন সময়: শনিবার, ২০ জুলাই , ২০২৪, ১১:৫৩:০২ এম

 

মুর্শিদুল আজিম হিরু : বাজারে ইলিশের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। তবে দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। এরমধ্যে আবারও পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২০ টাকা আর ৪০ টাকা বেড়েছে রসুনের দাম। উর্ধ্বদামে অপরিবর্তিত আছে সবজি, চাল, ডাল, আলু, মরিচসহ অন্যান্য পণ্য। বৃহস্পতিবার শহরের বড় বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজারে ইলিশ মাছের সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। ইলিশের দাম বেশি হওয়ায় অন্যান্য মাছের দামও অনেক বেশি। প্রতি কেজি বড় ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৮শ’ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা কেজি। ৮শ’ টাকা থেকে ১৪শ’ টাকা কেজি বিক্রি হয় মাঝারি সাইজের ইলিশ মাছ। প্রতি কেজি জাটকা ইলিশ মাছ বিক্রি হয় সাড়ে ৫শ’ টাকা থেকে ৬শ’ টাকা কেজি।  প্রতি কেজি রুই-কাতলা মাছ বিক্রি হয় ২৫০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা কেজি। ২০০ টাকা থেকে ২৮০ টাকা কেজি বিক্রি মৃগেল মাছ। প্রতি কেজি চিলবরকাপ মাছ বিক্রি হয় ১৬০ টাকা থেকে ২২০ টাকা কেজি। ২৮০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা কেজি বিক্রি হয় শিং মাছ। প্রতি কেজি কই মাছ বিক্রি হয় ২০০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা। প্রতি কেজি পাঙ্গাশ মাছ বিক্রি ১৭০ টাকা থেকে ২০০ টাকা। প্রতি কেজি তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হয় ১৮০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা কেজি। সাড়ে ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পাবদা মাছ।

বাজারে আবারও দাম বেড়েছে পেঁয়াজ-রসুনের। আলু ও মরিচের দাম আগের মত আছে।  প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হয় ১৬০ টাকা কেজি। ২২০ টাকা থেকে ২৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় প্রতি কেজি রসুন।  প্রতি কেজি দেশি পেয়াজ বিক্রি হয় ৭৫ টাকা থেকে ৮০ টাকা। ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত পেঁয়াজ। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয় ৩৮ টাকা থেকে ৪০ টাকা।

বাজারে সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে ভোজ্য তেল। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ১৮০ টাকা। ১৭৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় খোলা সয়াবিন তেল। প্রতি কেজি সুপার পাম তেল বিক্রি ১৪০ টাকা । ১৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় পাম তেল।

বাজারে অপরিবর্তিত আছে দাম । প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয় ৬০ টাকা। ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় টমেটো। প্রতি কেজি উচ্ছে বিক্রি হয় ৮০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বরবটি। ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ওল। প্রতি কেজি পটল বিক্রি হয় ২০ টাকা। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কুমড়া। প্রতি কেজি ঝিঙে ও কুশি বিক্রি হয় ৩০ টাকা কেজি। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধেড়স। প্রতি কেজি পুই শাক বিক্রি হয় ২০ টাকা। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কলা। ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুর লতি। প্রতি কেজি কচুর মুখি বিক্রি হয় ৬০ টাকা। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পেঁপে। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কাঁকরোল।

বাজারে ঊর্ধ্বদামে অপরিবর্তিত আছে চাল। প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হয় ৪৮ টাকা থেকে ৫০ টাকা। ৫০ টাকা থেকে ৫২ টাকা কেজি বিক্রি হয় বিআর-২৮ চাল। প্রতি কেজি বিআর ৪৯-চাল বিক্রি হয় ৫০ টাকা থেকে ৫২ টাকা। ৪৮ টাকা থেকে ৫২ টাকা কেজি বিক্রি হয় বিআর-১০ চাল বিক্রি । প্রতি কেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হয় ৫৪ টাকা থেকে ৫৬  টাকা। ৬৬ টাকা থেকে ৬৮ টাকা কেজি বিক্রি হয় বাংলামতি চাল।

বাজারে ডালের দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হয় ১শ’৩০ টাকা। ১শ’ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত মুসুর ডাল। প্রতি কেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৯০ টাকা। ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। প্রতি কেজি মুগের ডাল বিক্রি হয় ১শ’ টাকা থেকে ১শ’৩০ টাকা। ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কলাইয়ের ডাল।